দক্ষিণ আফ্রিকাকে কখনোই হারাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড

সেমিফাইনালে আসার পথে নিউজিল্যান্ডকে বন্ধুর একটা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা চলার পথে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে, পরোয়া করেননি কোন দলের শক্তিমত্তা কিংবা চোখ রাঙানি।

পাঁচবারের দেখায় একবারও নেই জয়। সেই নিউজিল্যান্ড আবার খেলতে নামছে অদম্য এক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেমিফাইনালের মত হাই ভোল্টেজ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড তাই শুরু করছে ব্যাকফুটে থেকেই। এমনকি এবারের বিশ্বকাপেও নিউজিল্যান্ড প্রোটিয়াদের হারাতে পারেনি।

সেমিফাইনালে আসার পথে নিউজিল্যান্ডকে বন্ধুর একটা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা চলার পথে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই দুমড়ে-মুচড়ে দিয়েছে, পরোয়া করেননি কোন দলের শক্তিমত্তা কিংবা চোখ রাঙানি। স্বাভাবিকভাবেই দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফেভারিট দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই দলের পরিসংখ্যানও তো তাদেরকে দিচ্ছে বাড়তি অগ্রাধিকার।

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট পাঁচবার নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা হয়েছে মুখোমুখি। সেই ২০০৭ সালের ডারবানে দুই দল নেমেছিল প্রথমবার। এরপর দিন গড়িয়ে ২০২৬ সালে এসে আহমেদাবাদের পঞ্চম দফা, কলকাতায় বনে যাচ্ছে ষষ্ঠ মোলাকাত। দুঃখজনক রেকর্ডের সাথে জুড়ে আছে নিউজিল্যান্ডের নাম।

পাঁচবারের একবারও তারা প্রোটিয়াদের হারাতে পারেনি। অল্পের জন্য দু’টো ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে ব্ল্যাকক্যাপসদের। লর্ডসে ২০০৯ সালে একরানে পরাজিত হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। এরপর ২০১৪ সালে চট্টগ্রামে দুই রানের ব্যবধান ঘোচাতে ব্যর্থ হয়েছিল কিউইরা। বাকি তিন ম্যাচের মধ্যে একটিতে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছিল ৬ উইকেটের ব্যবধানে, আরেকটি তো একেবারে সাম্প্রতিক সময়ে সাত উইকেটের বড় ব্যবধানে।

মাঝে ২০১০ সালে ব্রিজটাউনে ১৩ রানের একটি জয় লেখা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার নামের পাশে। এই ধারায় কি ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে নিউজিল্যান্ড? সম্ভাবনা কম বৈকি। তবুও চেষ্টা করতে ক্ষতি কি!

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link