ওয়ানডে ক্রিকেটে নতুন একটা লাইফলাইন পেতে চলেছেন লিটন দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য আবারও দলে ফিরছেন লিটন দাস। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আবার ওয়ানডে স্কোয়াডে জায়া পাবেন। তবে, টিম ম্যানেজমেন্ট আছে নতুন ভাবনায় — লিটনকে মিডল অর্ডারে খেলানোর পরিকল্পনা করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
গত বছরটা লিটনের জন্য একেবারেই সুখকর ছিল না। শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ব্যাট হাতে ছিলেন ছায়ামূর্তি হয়ে। পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৬ রান, যার মধ্যে ছিল তিনটি শূন্য। পারফরম্যান্সের এই ধসই তাঁকে ২০২৪ সালে দল থেকে ছিটকে দেয়।
এরপর জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজে আবার সুযোগ পান। কিন্তু ভাগ্য বদলায়নি। আরেকটি শূন্য রানে বিদায়। টানা তিন ওয়ানডেতে শূন্য—এক অস্বস্তিকর হ্যাটট্রিক। ফলে আবারও বাদ পড়তে হয়।

তবু ক্রিকেটে দরজা কখনও পুরোপুরি বন্ধ হয় না। লিটনের প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন নেই, প্রশ্ন ছিল ধারাবাহিকতা আর মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে। এবার সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েই তাঁর ফেরা। ওপেনিংয়ে নয়, মিডল অর্ডারে নতুন দায়িত্ব—সম্ভবত চাপ কমিয়ে তাঁকে স্বাভাবিক খেলায় ফেরানোর কৌশল।
পাকিস্তান সিরিজ তাই শুধু তাই আরেকটি দ্বিপাক্ষিক লড়াই নয়, লিটন দাসের জন্য এক নতুন শুরু, বাংলাদেশের জন্যও নতুন একটা পরিকল্পনা বাজিয়ে দেখার মিশন। তাঁকে স্কোয়াডে জায়গা দিতে টি-টোয়েন্টির মত এখানেও দল থেকে বাদ পড়তে যাচ্ছেন জাকের আলী অনিক।
চার ও পাঁচ নম্বরে ১০ টি ইনিংস খেলেছেন লিটন। সেখানে পাঁচ নম্বরে ২০১৯ বিশ্বকাপে ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংসও আছে তাঁর দখলে। চলমান বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) একটা হাফ সেঞ্চুরি পাওয়ার পরের ম্যাচেই অবশ্য ডাক মেরেছেন। তাই, এখন, ছন্দে আছেন কি নেই — বলা যাচ্ছে না।

পাকিস্তানের সিরিজটা তাই লিটনের জন্য ব্যর্থতার ছায়া পেরিয়ে আবার আলোয় ফেরার মঞ্চ হতে পারে। ফেরাটা স্মরণীয় হয় কি না, এখন সেটাই দেখার পালা।










