পাকিস্তান কি হাটবে ভারতের পথে? বৈচিত্র্যময় স্পিন আক্রমণ নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে রীতিমত ধসিয়ে দিয়েছে ভারত। চাইলে ওমানের বিপক্ষে পাকিস্তানও সেই পথেই হতে পারে অগ্রসর। কিন্তু সে জন্যে সুফিয়ান মুকিম ও আবরার আহমেদ, দুই আনঅর্থোডক্স স্পিনারকেই একাদশে জায়গা দিতে হবে পাকিস্তানকে।
আরব আমিরাতের বিপক্ষে ভারতের স্কোয়াডে তিনজন তিন ভিন্ন বৈচিত্র্যের স্পিনার জায়গা পেয়েছিলেন। মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী, চায়নাম্যান কুলদ্বীপ যাদব, ও লেফট আর্ম অর্থোডক্স অক্ষর প্যাটেল। এই তিনজন স্পিনারের মধ্যে দুবাইয়ের উইকেটে কুলদ্বীপ যাদব মুহূর্তের মধ্যে ভূমিধ্বস ঘটিয়েছেন। চার উইকেট বাগিয়েছেন।
অন্যদিকে বরুণ এবং অক্ষরও উইকেট শূন্য ছিলেন না। তাদের ঝুলিতেও যুক্ত হয়েছিল একটি করে উইকেট। অতএব দুবাইয়ের উইকেট স্পিনারদের উপকৃত করবার উদার মানসিকতায় দু’হাত প্রসারিত করে আছে। তাইতো পাকিস্তানেরও উচিত নিদেনপক্ষে কার্যকর তিনজন স্পিনারকে একাদশে রেখে, তবেই মাঠে নামা।

এক্ষেত্রে মোহাম্মদ নাওয়াজ হতে পারেন পাকিস্তানের তৃতীয় স্পিনার। যদিও নাওয়াজ একজন অলরাউন্ডার। সে বিবেচনাতেই তিনি দলে সুযোগ পান। তবে বল হাতে তিনিও ম্যাচের মোমেন্টাম বদলে ফেলার সক্ষমতা রাখেন। পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণে ক্যারিয়ারের দৈর্ঘ্য বিবেচনায় কনিষ্ঠ সুফিয়ান মুকিম। খুব বেশিদিন হয়নি তিনি পাকিস্তানের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন।
চলতি বছরে আট টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নয় উইকেট বাগিয়েছিলেন। বড় টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ তার হয়নি। তবে এদফা সুযোগ পেলে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করতে হবে সুফিয়ানকে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কেন তাকে খেলানো হল না, তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে সেই সময়টায়। সেই সমালোচনার যৌক্তিকতা প্রমাণে এগিয়ে আসতে হবে সুফিয়ান মুকিমকে।
তার বা-হাতি রিস্ট স্পিন যথেষ্ট বৈচিত্র্য যুক্ত করে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে। এছাড়া আবরার আহমেদের মত একজন কার্যকর লেগ স্পিনারও রয়েছে পাকিস্তানের স্কোয়াডে। দুবাইয়ের উইকেটে এই দু’জন সৃষ্টি করতে পারেন ত্রাসের রাজত্ব। ওমানের বিপক্ষে তাই তিন স্পিনার তত্ত্বেই যাওয়া উচিত পাকিস্তানের। ভারতের সফলতা বিবেচনায় নেওয়ার মত ভাল স্যাম্পল।












