‘এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নয়।’ পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সালমান আলী আঘার বক্তব্য। ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জনের প্রেক্ষিতেই এমন মন্তব্য করেছেন সালমান। তবে কি দেশটির সরকার ও ক্রিকেটারদের অবস্থান দুই ভিন্ন মেরুতে?
ক্রিকেট বিশ্ব তোলপাড় হয়ে গেছে পাকিস্তানের একটি সিদ্ধান্তে। বাংলাদেশের পর পাকিস্তানও বিশ্বকাপ খেলবে না- এমনটি না ঘটলেও, পাকিস্তানের নেওয়া নতুন সিদ্ধান্ত আইসিসিকে ভীষণভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। কেননা পাকিস্তানের সরকার সোজাসাপ্টা জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তান বিশ্বকাপে অংশ নেবে, তবে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে তারা মাঠে নামবে না।

বেশ সাহসি সিদ্ধান্ত বটে! শাস্তি, আর্থিক ক্ষতি মাথায় রেখেই পাকিস্তান সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সালমান আলী আঘার মন্তব্য়ে একটা বিষয় স্পষ্ট, খেলোয়াড়রা প্রস্তুত ছিলেন ম্যাচটি খেলার জন্য। অর্থাৎ চিরপ্রতিদ্বন্দী ভারতের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ খেলার লোভ সামলানো তো ভীষণ কঠিন এক কাজ।
প্রায় প্রতিটা খেলোয়াড়ই নিজেদেরকে বিশেষভাবে প্রমাণের জন্য মুখিয়ে থাকেন এমন সব ম্যাচে সামর্থ্য প্রমাণের জন্য। সুতরাং কোন খেলোয়াড়ই ম্যাচ কিংবা টুর্নামেন্ট বর্জনের পক্ষে থাকেন না, সালমান ও তার দলও স্বাভাবিকভাবেই পক্ষে নন। তবে তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, তার দেশের সরকার বা ক্রিকেট বোর্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে তারা সেটা মেনে নেবে কোন প্রকার দ্বিধা ছাড়াই।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর, প্রেস কনফারেন্সে সালমান নিজের অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, ‘এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নয়। এক্ষেত্রে আমরা কিছু করতে পারব না। আমাদের সরকার এবং পিসিবি চেয়ারম্য়ান যা বলবেন, সেটাই আমরা করব। ওরা যা বলবেন, আমাদের সেটাই করতে হবে।’











