সুপার ফোরে পাকিস্তান, নাটকের সমাপ্তি নাকি নতুন অধ্যায়ের শুরু?

সুপার ফোরে যে ভারত-পাকিস্তান আবারও হবে মুখোমুখি। সেখানেও সৃষ্টি হতে পারে নতুন নাটকের পটভূমি।

ম্যাচ হবে কি হবে না, এমন আশঙ্কায় পিছিয়ে গেল সময়। পাকিস্তান দল টিম হোটেল থেকে মাঠে এলো। জয় নিয়ে আবার ফিরল হোটেলে। সাথে করে কেটে নিয়ে গেছে সুপার ফোরের টিকিট। সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ অবধি মাত খেয়ে গেছে অভিজ্ঞতায়।

ম্যাচ শুরুর নির্ধারিত সময়ের তখন আনুমানিক দেড় ঘন্টার মত সময় বাকি। পাকিস্তান দলের অবস্থান তখনও টিম হোটেলে। চারিদিকে সোরগোল পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করেছে। তোলপাড় হয়ে গেল ক্রিকেট বিশ্ব। অবশেষে সুরাহা হল, ‘হ্যান্ডশেক’ কাণ্ডে নিষ্ক্রিয় থাকায় ক্ষমা চাইলেন ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট।

এরপরই মূলত মাঠে নেমেছে পাকিস্তান দল। তবে শুরুটা তাদের মোটেও ভাল হয়নি। তাদের আস্থাভাজন ওপেনার সাইম আইয়ুবের বেহাল দশা যেন কাটছেই না। তিনি আরও একবার আউট হয়েছেন শূন্যরানে। আরেক ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানও ব্যর্থ হয়েছেন আরও একটিবার। ১২ বলে ৫ রান করেছেন তিনি।

ওমন নেতিবাচকতা শঙ্কা জাগিয়েছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে। কিন্তু সেই শঙ্কাকে ঘনিভূত হতে দেননি ফখর জামান। অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন তিনি। ৩৬ বলে ৫০ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। তবে পাকিস্তানকে জয়ের মোমেন্টাম এনে দিয়েছিলেন মূলত শাহিন শাহ আফ্রিদি। ব্যাট হাতে শাহীনের ১৪ বলে ঝড়ো ২৯ রানের কল্যাণে ১৪৫ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।

ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও পাকিস্তানের বোলাররা আরব আমিরাতকে আর সুযোগ দিতে চাইলেন না। শাহিন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে সাইম আইয়ুবরা বল হাতে পাকিস্তানের জয়ের গল্পের বাকি অংশটুকু লিখেছেন। শাহিন, হারিস রউফ ও আবরার আহমেদ দুইটি করে উইকেট বাগিয়ে নিয়েছেন। তাতে করে ১০৫ রানেই গুটিয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাত।

নানা জটিলতা ও নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সুপার ফোরের টিকিট কাটতে পারল পাকিস্তান। তবে নাটকের আদোতে সমাপ্তি ঘটল কি-না সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। কেননা সুপার ফোরে যে ভারত-পাকিস্তান আবারও হবে মুখোমুখি। সেখানেও সৃষ্টি হতে পারে নতুন নাটকের পটভূমি।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link