হংকং সিক্সেসে দাপট দেখাল পাকিস্তান। আব্বাস আফ্রিদির ব্যাটিং টর্নেডো লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে কুয়েতের সকল আকাঙ্ক্ষা। ৪৩ রানের বড় জয় দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিরেখা টেনে দিল আফ্রিদি ও তার দল।
কুয়েত টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। খাজা নাফে, আবদুল সামাদরা টুর্নামেন্টের ঢঙেই চালাতে থাকেন নিজেদের ব্যাট। ছোট্ট মাঠের ফায়দা তুলে নিতে থাকেন দুইজনে। নাফে স্বল্পতে থামলেও, সামাদ ১৩ বলে নেন ৪২ রান। দৃশ্যপটে ততক্ষণে হাজির হয়ে গেছেন অধিনায়ক আব্বাস আফ্রিদি।
স্রেফ ১১ বলে ৫২ রানের এক ধ্বংসযজ্ঞ কুয়েতের সমস্ত ইতিবাচক মানসিকতাকে মাটি চাপা দিয়ে দেয়। ছয় ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোরবোর্ড বেশ হৃষ্টপুষ্ট। ১৩৬ রানের একটা বড়সড় লক্ষ্যমাত্রা ছুড়ে দেয় তারা কুয়েতের দিকে। ওভারপ্রতি ২২ এর বেশি রান প্রয়োজন ছিল কুয়েতের।

দুই ওপেনার আগ্রাসী শুরুতে জয়ের পথেই ছিল কুয়েত। কিন্তু পাকিস্তানি বোলারদের আগ্রাসনের সামনে কুয়েতের ব্যাটারদের সকল আক্রমণ নস্যি। পাকিস্তানি স্পিনার মাজ সাদাকাত একাই বাগিয়ে নেন তিনটি উইকেট। কুয়েতের সমস্ত লড়াই একা হাতে দমন করেন বা-হাতি এই স্পিনার।
তাতে করে বিশাল ব্যবধানে কুয়েতকে হারিয়ে পাকিস্তান হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। এই গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই পাকিস্তান দল নিজেদের শক্তিমত্তার পার্থক্য বুঝিয়েছে বেশ ভালভাবেই। আব্বাস আফ্রিদির নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে অবধি স্রেফ একটি ম্যাচ হেরেছিল পাকিস্তান।
ভারতের বিপক্ষে বৃষ্টি আইনে সে ম্যাচটিও তারা হেরেছিল দুর্ভাগ্যক্রমে দুই রানে। এরপর অস্ট্রেলিয়ার মত শক্তিধর দলকে হারিয়েই ফাইনালের পথে অগ্রসর হয়েছিল পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বে কুয়েতকে হারানো পাকিস্তানের কাছে ফাইনাল তাই ছিল না ততটাও চ্যালেঞ্জিং। বেশ হেসে-খেলেই পাকিস্তান জিতেছে চ্যাম্পিয়নের খেতাব।












