এক ম্যাচ হাতে রেখেই পাকিস্তানের সিরিজ জয়!

প্রতাপশালী ব্যাটিং লাইন-আপ ধসে পড়ল তাসের ঘরের মতো। যার পেছনের কারিগর আবরার আহমেদ এবং শাদাব খান। দুই লেগ স্পিনারের জুটির সামনে নতজানু হতে বাধ্য হলো অস্ট্রেলিয়া। ১৯৯ রানের লক্ষ্যে নেমে ১০৮ রানেই শেষ অজিদের ইনিংস। তাতেই এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিজেদের করে নিল পাকিস্তান।

প্রতাপশালী ব্যাটিং লাইন-আপ ধসে পড়ল তাসের ঘরের মতো। যার পেছনের কারিগর আবরার আহমেদ এবং শাদাব খান। দুই লেগ স্পিনারের জুটির সামনে নতজানু হতে বাধ্য হলো অস্ট্রেলিয়া। ১৯৯ রানের লক্ষ্যে নেমে ১০৮ রানেই শেষ অজিদের ইনিংস। তাতেই এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিজেদের করে নিল পাকিস্তান।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান ধাক্কা খায় শুরুতেই। ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ফিরে যান পাঁচ রান করে। তবে এরপরই পূর্বাভাস ছাড়াই ঝড় হয়ে আসেন সালমান আলী আঘা। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন একাই। শেষমেশ খেলেন ৪০ বলে ৭৬ রানের নক।

সালমানের বিদায়ের পর দায়িত্ব কাঁধে নেন উসমান খান। ৩৬ বলে ৫৩ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। শেষদিকে শাদাব খানের ২৮ রানের সুবাদে পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে আসে ১৯৮ রানের বিশাল পুঁজি।

জবাবে ব্যাট করতে নামা এই অস্ট্রেলিয়া যেন বড্ড অচেনা। ট্রাভিস হেড ফিরে যান চার রান করে। মিচেল মার্শও থিতু হতে পারেননি। একের পর এক ব্যাটার আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত হয়ে যান। ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল ক্যামেরুন গ্রীন। সর্বোচ্চ ৩৫ রানের ইনিংস আসে তাঁর ব্যাটে।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডার চুরমার করতে অবশ্য বদ্ধপরিকর ছিলেন আবরার এবং শাদাব। দুই লেগ স্পিনারের ঘূর্ণিতে মুখ থুবড়ে পড়ে অজিরা। গুটিয়ে যায় মাত্র ১০৮ রানে।

আবরার-শাদাব জুটি নেন সমান তিনটি করে—মোট ছয় উইকেট। তিন ওভারে ১৪ রান খরচা করেন আবরার, আর শাদাব দেন চার ওভারে ২৬। তাতেই ৯০ রানের বড় পরাজয় সঙ্গী হলো অস্ট্রেলিয়ার। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ বাগিয়ে নিল পাকিস্তান।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link