ফাইনালে ভারতের দুঃস্বপ্ন হয়ে এল পাকিস্তান!

ভারতকে ১৯১ রানে হারিয়ে লজ্জার সাগরে ডুবাল পাকিস্তান। এমন দিন দেখতে হবে তা বোধহয় ভারত কখনও কল্পনাতেও ভাবেনি। ব্যাটে-বলে একচেটিয়ে দাপট দেখিয়ে পাকিস্তান বুঝিয়ে দিল সময়টা এখন তাদের। যুব এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৯-এর ট্রফিটা যে তাদেরই।

ভারতকে ১৯১ রানে হারিয়ে লজ্জার সাগরে ডুবাল পাকিস্তান। এমন দিন দেখতে হবে তা বোধহয় ভারত কখনও কল্পনাতেও ভাবেনি। ব্যাটে-বলে একচেটিয়ে দাপট দেখিয়ে পাকিস্তান বুঝিয়ে দিল সময়টা এখন তাদের। যুব এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৯-এর ট্রফিটা যে তাদেরই।

ভারতের আমন্ত্রণেই ব্যাটিংয়ে এসেছিল পাকিস্তান। আয়ুষ মাহাত্রে যেন খাল কেটে কুমির নিয়ে আসলেন। গ্রুপ পর্বে হারের ক্ষতটা যে তখনও পাকিস্তানকে পীড়া দিচ্ছিল। উপশমের জন্য আক্রমণটাকেই বেছে নিল দুই ওপেনার। বিশেষ করে সামির মিনহাস।

এদিন তিনি যেন রুদ্ররূপ ধারণ করলেন। এমন কোনো বল নেই যা তাঁকে দমাতে পারে, এমন কোনো বোলার নেই যে তাঁকে থামাতে পারে। একাই পাকিস্তানের রানের চাকা টেনে নিয়ে গেলেন। খেললেন ১১৩ বলে ১৭২ রানের অনবদ্য এক নক।

ওটাই মূলত ব্যবধান গড়ে দিল, ভারতের মনোবল একেবারেই মাটিতে মিশিয়ে দিল। শেষমেষ পাকিস্তানের যুবারা স্কোরবোর্ডে তুলল ৩৪৭ রানের পাহাড়। ফাইনালের মঞ্চে যা চেজ করে জেতাটা কেবল কল্পনাতেই শোভা পায়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বৈভব সুরিয়াভানশি যথারীতি দ্রুত রান তোলার কাজে লেগে পড়েন। এরপর হঠাৎই কালো মেঘে ঢেকে যায় ভারতের আকাশ। ৫০ রান ছোঁয়ার আগে তিন ব্যাটার ফেরেন সাজঘরে। ওর মধ্যে একটা নাম সুরিয়াভানশি। ওখানেই শেষ হয়ে ফাইনাল জেতার স্বপ্নটা।

তবুও মান বাঁচানোর একটা সুযোগ ছিল ভারতের ব্যাটারদের। সেটাতেও ব্যর্থ হলো তারা। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল উইকেট। যার নেপথ্যে অবশ্য পাকিস্তানের আরেক বিস্ময় আলী রাজা। শিকার করেন চার উইকেট। শেষমেষ ভারত গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৬ রানে।

১৯১ রানে ভারতকে উড়িয়ে ট্রফিটা আকাশে উঁচিয়ে ধরল পাকিস্তান। ধুলোয় মিশে গেল ভারতের দাম্ভিকতা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দ্বৈরথে যে শেষ হাসিটা হাসল পাকিস্তানই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link