বল হাতে যেমন ভয়ঙ্কর, ব্যাট হাতে তেমনই দুর্দান্ত পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কাকে ডেকে এনে একেবারে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবাল শাহীন আফ্রিদিরা। যেন ঘরের মাঠে নিজেদের আধিপত্য দেখাল তারা। ডেড রাবার ম্যাচেও লঙ্কানরা পেল না কোন স্বান্তনা।
টসে জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান। পাথুম নিশাঙ্কাকে ফিরিয়ে ৫৫ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙেন হারিস রউফ। ১৪ রানের ব্যবধানে ফিরে যান কামিল মিশারাও। এরপর থেকেই লঙ্কানদের ছন্দপতন শুরু।
পাকিস্তানের পেস আর স্পিনের কম্বিনেশনের সামনে ধরাশায়ী হতে বাধ্য হয় শ্রীলঙ্কান ব্যাটাররা। স্বাগতিকদের কোনো বোলারকেই খালি হাতে ফিরতে হয়নি আজ। শেষটাতে কোনো মতে শ্রীলঙ্কা ২১১ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয়।

রাওয়ালপিন্ডির এই উইকেটে পাকিস্তানের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্যটা নিতান্তই মামুলি। তবে সায়িম আইয়ুবের জায়গায় সুযোগ পাওয়া হাসিবুল্লাহ খান রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান, শ্রীলঙ্কার একটা সুপ্ত সম্ভাবনা উঁকি দিয়ে ওঠে। তবে দুই অভিজ্ঞ সেনানী বাবর আজম এবং ফখর জামানের হাত ধরে সাময়িক বিপদ কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান।
৫৫ রান করে ফখর ফিরে গেলে দায়িত্ব চেপে বসে বাবরের কাঁধে। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি খরা কাটিয়েছেন বাবর। এই ম্যাচে আভাস দিচ্ছিলেন আরও একটা বড় স্কোরের, তবে ৩৪ রানেই থামতে হলো তাঁকে। তবে বাকি দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, তাঁকে সঙ্গ দেন হোসাইন তালাত।
দুজনের ১০০ রানের জুটি একেবারে জয়ের বন্দরে নিয়ে যায় পাকিস্তানের তরী। রিজওয়ানের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস। আর তাতেই ছয় উইকেটের ব্যবধানে লঙ্কানদের হারায় স্বাগতিকরা।












