ডি ককের শতকে অসহায় পাকিস্তান!

কুইন্টন ডি ককের ব্যাট ফিরে গেল পুরনো সেই দিনে, প্রত্যাবর্তনের পর ফের ফিরে পেলেন চিরচেনা রূপ। শান্ত অথচ আগ্রাসী, ভয়ংকর তবুও দৃষ্টিনন্দন তাঁর ব্যাটিং। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২২তম শতক হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে একেবারে ধুলোয় মিশিয়ে দিলেন।

কুইন্টন ডি ককের ব্যাট ফিরে গেল পুরনো সেই দিনে, প্রত্যাবর্তনের পর ফের ফিরে পেলেন চিরচেনা রূপ। শান্ত অথচ আগ্রাসী, ভয়ংকর তবুও দৃষ্টিনন্দন তাঁর ব্যাটিং। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২২তম শতক হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে একেবারে ধুলোয় মিশিয়ে দিলেন।

২৭০ রানের লক্ষ্যটা খুব বেশি কঠিন না হলেও একেবারে সহজও ছিল না। তবে ডি ককের শতক সেই স্কোরকে একেবারে মামুলি টার্গেট বানিয়েছে। লুহান ড্রে পেট্রোরিয়াসকে সঙ্গী করে যখন উইকেটে এলেন, তখনই আভাস দিয়েছিলেন বড় কিছু হয়তো করবেন। একেকটা ব্যাকরণিক শটে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহদের মতো বোলারদের সাধারণ বানিয়েছেন।

ওপেনিং জুটি থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার এসেছে ৮১ রান। আগের দিনের পুনরাবৃত্তি যেন ঘটিয়েছেন দুই ওপেনার। প্রথম ওয়ানডেতেও এই জুটি থেকে এসেছিল ৯৮ রান। পেট্রোরিয়াস ৪৬ রানে ফিরে গেলেও ডি ককের ব্যাট অদম্য গতিতে ছুটতে থাকল। অর্ধশতক পেরিয়ে শতক এলো, তবুও অবিচল রইল ওই ব্যাটটা।

টনি ডি জর্জির সাথে মিলে করা ১৫৩ রানের জুটি ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে দিয়েছিল ঠিকই, তবে ডি কক শেষটা দেখে আসতে চাইলেন। জর্জি ফিরে গেলেও জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন ডি কক। শেষ পর্যন্ত নামের পাশে ওঠে ১২৩ রানের অপরাজিত অনবদ্য এক নক। প্রোটিয়ারা জয় পায় আট উইকেট এবং ৫৯ বল হাতে রেখে।

শুরুতে অবশ্য সালমান আলী আঘা এবং মোহাম্মদ নাওয়াজের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান জমা করে ২৬৯ রান। বাবর-রিজওয়ান ব্যর্থ হয়েছেন আজও। তবে এটা যে ডি ককদের সামনে নিতান্তই সাদামাটা স্কোরে পরিণত হলো।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link