বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন দিবাস্বপ্ন পাকিস্তানের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে আতিথ্য দিতে চায় পাকিস্তান। খোলাসা করে বললে বাংলাদেশ যদি ভারতে না যায়, আর শ্রীলঙ্কায় যদি ভেন্যু সঙ্কট তৈরি হয় সেক্ষেত্রে পাকিস্তান আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকতে ইচ্ছুক। অনেকটা ঝোপ বুঝে কোপ মারার মতো। তবে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা আসলে কতটুকু?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে আতিথ্য দিতে চায় পাকিস্তান। খোলাসা করে বললে বাংলাদেশ যদি ভারতে না যায়, আর শ্রীলঙ্কায় যদি ভেন্যু সঙ্কট তৈরি হয় সেক্ষেত্রে পাকিস্তান আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের পাশে থাকতে ইচ্ছুক। অনেকটা ঝোপ বুঝে কোপ মারার মতো। তবে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা আসলে কতটুকু?

নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে যেতে চায় না বাংলাদেশ। গল্পটা বেশ পুরনো। যেহেতু হাইব্রিড মডেলে বিশ্বকাপ আয়োজিত হচ্ছে তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যেতে চায় শ্রীলঙ্কায়। এই নিয়েই চলছিল আলোচনা, দফায় দফায় আইসিসি বরাবর চিঠি ছোড়াছুড়ি।

তবে এর মাঝে ঢুকে পড়লো পাকিস্তানও। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে তারা। এমনকি তাদের সবগুলো মাঠও শতভাগ প্রস্তুত রয়েছে। এখানেই শেষ নয়, আইসিসি ইভেন্টগুলো আয়োজনে নিজেদের সাফল্যের কথাও টেনে এনেছে তারা।

তবে এই পাকিস্তানের ইচ্ছাপোষণ করা আসলে কতটা বাস্তবধর্মী, বা এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কি আদৌ আছে? উত্তরটা নেতিবাচকই আসবে।

বিশ্বকাপের সবকিছুই এখন মোটামুটি প্রস্তুত। বাংলাদেশের ভেন্যু ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় আনার কথাতেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আইসিসির। এক মাস আগে ভেন্যু পরিবর্তন যে খুব সহজ ব্যাপার নয়। শুধু কি তাই, আয়োজক দেশ ভারত নিজেও সেটা চাইবে না নিশ্চয়। এর মাঝে আবার পাকিস্তানের প্রসঙ্গ আনা যে একপ্রকার বিলাসিতার সামিল।

একে তো পরিকল্পনা ছাড়াই এক মাস আগে একটা দেশে বিশ্বকাপের মতো ইভেন্ট আয়োজন অসম্ভব। তার উপর পাকিস্তান নিজেরাই খেলবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে। সবচেয়ে বড় কথা, শ্রীলঙ্কাতে বাংলাদেশের খেলা ভারত মেনে নিলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মাটিতে নিয়মের বাইরে গিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনটা নিশ্চয় মেনে নেওয়ার মতো না। সবশেষে বাস্তবিক অর্থে এমনটা হওয়া সম্ভব না।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link