দলের প্রয়োজনে যখনই দরকার, তখনই হাজির মোহাম্মদ নাওয়াজ। নিজেকে যেন দলের উদ্ধারকর্তা রূপে আবিষ্কার করেছেন তিনি। একটা সময় পাকিস্তানের জন্য ২০০ রান ছোঁয়াটা যেখানে কষ্টসাধ্য মনে হচ্ছিল, নাওয়াজের সুবাদে তা গিয়ে দাঁড়াল ২৬৯-এ।
শুরুতে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছিল স্বাগতিকরা। রানের খাতা খোলার আগে ফিরে যান ফখর জামান। বাবর আজমের ব্যাটিং ব্যর্থতা তো এখন রোজকার ঘটনা। আজও তাঁর ব্যত্যয় ঘটল না। আগের ম্যাচে ফিফটি পাওয়া মোহাম্মদ রিজওয়ানও দলের হাল ধরতে পারলেন না।
তবে সায়িম আইয়ুব ভরসা হয়ে ছিলেন তখনও, সাথে ইনিংস মেরামতের কাজে যোগ দেন সালমান আলি আঘা। ফিফটির পর সায়িম ফিরে যান, হুসাইন তালাতও কিছুক্ষণের মধ্যে একই পথের পথিক হন। ১৩১ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলা পাকিস্তানকে উদ্ধার করতে আসেন নাওয়াজ।

সালমানের সাথে গড়ে তোলেন ৫৯ রানের জুটি। শুধু তাই নয়, রানের চাকার গতিও বাড়িয়ে দেন তিনি। ১৯০ রানের মাথায় সালমানের বিদায় হলে দলের সমস্ত আশা-ভরসা গিয়ে দাঁড়ায় নাওয়াজের দরজায়।
এমন মঞ্চটা অবশ্য তাঁর জন্য নতুন কিছু নয়। সাম্প্রতিক সময়ে তিনিই তো হয়ে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তানের ক্রাইসিস ম্যান। বল হাতে হোক কিংবা ব্যাট হাতে, দল যখন বিপদে, নাওয়াজই তো সবার আগে বুক চিতিয়ে দাঁড়ান।
তাই তো সমস্ত ভার নিজের কাঁধে তুলে রানঘোড়া ছোঁটালেন। শেষ নয় ওভারে স্কোরবোর্ডে এনে দিলেন ৭৩ রান। যখন সাজঘরে ফিরছেন, নামের পাশে ৫৯ বলে ৫৯ রানের এক অনবদ্য নক। ভগ্নস্তূপে পড়া স্কোরবোর্ডে ফিরিয়ে দিলেন সতেজতা। চার ছয় আর তিন চার দিয়ে সাজানো ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে এনে দিলেন লড়াই করার জন্য যথেষ্ট পুঁজি।












