২০২৫ সালে বেশ কিছু রদবদল আনলেও পাকিস্তান ক্রিকেটের সাফল্য আসেনি। টি-টোয়েন্টি, টেস্ট কিংবা ওয়ানডে, সব ফরম্যাটেই যেন পাকিস্তান বছর জুড়েই নিজেদের নামের প্রতি একপ্রকার অবিচার করেছে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালেই তা আরও স্পষ্ট হয়।
বছরজুড়ে, বাকি দলগুলোর মতোই পাকিস্তানও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটটাই সবচেয়ে বেশি খেলেছে। শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ৪-১ এর লজ্জাজনক পরাজয় দিয়ে ২০২৫-এর যাত্রা শুরু করে সালমান আলী আঘার দল। পরবর্তীতে নিজেদের ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে হারালেও বাংলাদেশের মাটিতে ২-১ এ সিরিজ হারে তারা। ঘরের বাইরে গেলেই যেন নিজেদের হারিয়ে খুঁজেছে পাকিস্তান।
এশিয়া কাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের সঙ্গে তিনবার মুখোমুখি হয়, তিনবারই পরাজয়ের স্বাদ বরণ করে। বছরজুড়ে টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ ম্যাচ খেলে ২১ জয়ের বিপরীতে হেরেছে ১৩টি ম্যাচ। জয়ের শতকরা ছিল ৬১.৭৬ শতাংশ।

ওয়ানডেতে পরিসংখ্যান যেন আরও হতাশাজনক। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ হারের পাশাপাশি রয়েছে চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে হতাশাজনক পারফরম্যান্স।
স্বাগতিক দেশ হয়েও গ্রুপ পর্বে একটাও ম্যাচ জিততে পারেনি পাকিস্তান। বছরজুড়ে ১৭ ওয়ানডেতে মাত্র ৭টির জয়ের বিপরীতে হেরেছে ১০টি ম্যাচ। জয়ের হার ৪১.১৮ শতাংশ। লাল বলের ক্রিকেটেও যেন একই চিত্র। ২০২৫ সালে ৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলে ৩টিতে হেরেছে পাকিস্তান।
নেতৃত্বের বদল, টি-টোয়েন্টি টিম ঢেলে সাজানো, কোনো কিছুতেই যেন নিজেদের চেনা ছন্দ খুঁজে পায়নি পাকিস্তান। পুরো বছরজুড়ে এমন পারফরম্যান্স তাই হতাশ করেছে সমর্থকদেরও। নতুন বছরে নিশ্চয় ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে না পাকিস্তান।











