কিউই পাখি নাকি উড়তে পারে না। কিন্তু গ্লেন ফিলিপস কিন্তু ঠিকই পারেন। তিনি উড়তে পারেন ফিল্ডিংয়ে, তিনি উড়তে জানেন ব্যাট হাতে। হাফ সেঞ্চুরি থেকে এক রান দূরে থামতে হল গ্লেন ফিলিপসকে। খানিকটা অভাগা নিজেকে ভাবতেই পারেন তিনি।
কিন্তু শেষ দিকে ফিলিপসের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছাড়িয়ে গেছে ৩৬০ রানের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। কমপ্লিট ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিটা মুহূর্তে প্রমাণ করে যাচ্ছেন গ্লেন ফিলিপস। রাচিন রবীন্দ্র ও কেন উলিয়ামসন সেঞ্চুরিতে বড় রানের ভীত গড়ে ফেলেছিল ব্ল্যাকক্যাপসরা।
সেই সংগ্রহকে একটা বুস্ট দিতে হতো শেষ দিকে। সে কাজটাই করেছেন গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ২৭ বলে ৪৯ রান যুক্ত করেছেন তিনি স্কোরবোর্ডে। প্রায় ১৮১ স্ট্রাইকরেটের এই ইনিংসটি হতে পারে নিউজিল্যান্ডের জয়ের অন্যতম প্রভাবক।

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছেন গ্লেন ফিলিপস। তবে সেটা কোনভাবেই ব্যাটিং দিয়ে নয়। দুর্ধর্ষ ফিল্ডিংয়ে তিনি বিস্ময়ের ঘোর সৃষ্টি করেছেন। চোখ ধাঁধানো সব ক্যাচ তালুবন্দী করেছেন তিনি। ৮০০ পুশআপের কেরামতি দেখিয়েছেন এক একটি রান বাঁচিয়ে।
সেই ফিলিপস ব্যাট হাতে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন খুব সামান্যই। কিন্তু প্রতিটা ম্যাচে হাত ঘুরিয়েছেন। প্রতিপক্ষের রানের নদীকে শুকিয়ে দেওয়ার কাজটা করে গেছেন সেমিফাইনাল অবধি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিফাইনালে ব্যাটের ঝলকটাও দেখালেন তিনি।
৪২ মিনিট ছিলেন তিনি বাইশ গজে। এই সময়ে ছয়টি চারের পাশাপাশি একটি ছক্কার মার এসেছে তার ব্যাট থেকে। তাতে করে দ্রুত ২০-৩০টা রান বেশি যুক্ত হয়েছে নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে। এই রানটুকু শেষ অবধি যথেষ্ট প্রমাণিত হতে পারে ব্ল্যাকক্যাপসদের জন্যে। যথেষ্ট প্রমাণিত করবার জন্যে ফিলিপস তো আছেনই। কমপ্লিট ক্রিকেটার থাকতে আর দুশ্চিন্তা কিসের!












