স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে বল আছড়ে পড়লো গ্যালারিতে, তাতেই তিন অঙ্কের ওই জাদুকরী সংখ্যাটা ২৩ বারের মতো ছুঁইয়ে দেখলেন কুইন্টন ডি কক। সেই সঙ্গে প্রিয় প্রতিপক্ষ ভারতের জন্য একটা বার্তা ছুঁড়ে দিলেন, ‘বন্ধু আমি এখনও ফুরিয়ে যাইনি।’
প্রতিপক্ষ ভারত মানেই ডি ককের ব্যাটটা চার হাত চওড়া হয়ে যায়। ভারতকে পেলেই তো শান্ত ডি কক ধরা দেন ভয়ঙ্কর রূপে। ব্যাট দিয়ে শাসন করেন মাঠজুড়ে। তবে অবসর ভেঙে ফেরার পর প্রশ্ন উঠেছিল ডি ককের সেই রূপ এখনও কি অক্ষত?

ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে নেমে ফিরলেন খালি হাতে। তাতেই শুরু হলো পুরোনো সুর—হারিয়ে ফেরেছেন এই প্রোটিয়া ব্যাটার। তবুও একটা আশা ছিল, পরের ম্যাচে অন্তত কিছু একটা হবে। সেখানেও মোটে আট রান তুললেন। বন্ধুবর বিরাট কোহলিরা ব্যাটে এখনও সেই দাপট দেখিয়ে যাচ্ছেন, তবুও পারছেন না কেবল ডি ককই। তবে কি আর সেই মোহনীয় সুর ফিরে পাবেন না ডি কক? প্রিয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে দেখাটা কি স্মরণীয় করতে পারবেন না?
এমন কথা যখন চারদিকে, ডি কক বেরিয়ে এলেন ভিড় ঠেলে। পুরোনো আগ্রাসন, আত্মবিশ্বাস আর চোখেমুখে কি একটা উদ্দীপনা নিয়ে ব্যাট করতে লাগলেন বিশাখাপত্নমে। ফিফটি এলো, শেষমেষ শতকটা পেয়ে গেলেন। ভারতের বিপক্ষে সপ্তম শতকটি ধরা দিল ককের ব্যাটে।

প্রতিপক্ষের দর্শকরা কুর্নিশ জানালো, এমনকি স্বয়ং কোহলি হাততালি দিয়ে অভিবাদন জানালেন ডি কককে। শেষ পর্যন্ত থামলেন ৮৯ বলে ১০৬ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলে। পুরোনো বন্ধু ভারতের সঙ্গে সাক্ষাৎটা একেবারে স্মরণীয় করেই রাখলেন যেন।











