মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের লেগস্পিনার মায়াঙ্ক মারকান্দের ওভারে পরপর তিন বলে তিন ছক্কা মারার পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছে, রজত পাতিদার, হোয়াট আর ইউ? এই প্রশ্ন শুধু আরসিবির নয়। বরং, ক্রিকেটপ্রেমী প্রতিটি মানুষই জানতে চায়, রজত পাতিদার আপনি কী? কিভাবে সম্ভব করছেন একের পর এক অসম্ভবকে?
১১ তম ওভারে ফিল সল্ট সাজঘরে ফেরার পর ২২ গজে আসেন দলনেতা রজত পাতিদার। ততক্ষণে অনেক রান বিলিয়ে চিন্তায় ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দল। পাতিদার তখন আরও বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠেন তাদের জন্য।
আসার পর থেকেই আক্রমণ চালিয়ে গেছেন। কোন বোলার বল ছুড়ছেন সেদিকে ফিরেও তাকাননি একবার। মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে আরসিবির অধিনায়ক যেন প্রলয় নিয়ে এসেছিলেন।

ফিরে যাওয়ার আগে খেলেন মাত্র ২০টি বল। এতেই চারটি চার, বাউন্ডারির উপর দিয়ে উড়িয়ে মেরেছেন পাঁচবার। ২৬৫ স্ট্রাইকরেটে ৫৩ রান দেখতে অবিশ্বাস্য মনে হবে।
প্রতিদিন মাঠে নামছেন ব্যাট হাতে। প্রতিপক্ষ ভিন্ন ভিন্ন হলেও রজত পাতিয়াদের কাজ কখনো বদলায় না। আক্রমণ, সবকিছু ছেড়েছুড়ে শুধুই আক্রমণ; পাতিদারের অভিধানে যেন এ ছাড়া আর কোনো শব্দের উপস্থিতি নেই।
বয়স ছুঁতে চললো ৩৩। আরসিবিকে আইপিএল জেতানো অধিনায়ক পাতিদার এবার এখনো পর্যন্ত ব্যাট করে গেছেন ২১০ এর চেয়েও বেশি স্ট্রাইকরেটে। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে কখনো পাতিদারকে টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ না দিয়ে ভারত কি জানে তাঁরা কী সম্পদ হেলায় হারিয়ে ফেলছে?











