চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী!

না, চট্টগ্রাম রয়্যালস শেষটা রাঙাতে পারল না। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দাপটের সামনে ফাইনাল লড়াইয়ে একেবারে নতজানু হয়ে পড়ল তারা। ৬৩ রানের জয় পেল নাজমুল হোসেন শান্তরা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন।

না, চট্টগ্রাম রয়্যালস শেষটা রাঙাতে পারল না। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দাপটের সামনে ফাইনাল লড়াইয়ে একেবারে নতজানু হয়ে পড়ল তারা। ৬৩ রানের জয় পেল নাজমুল হোসেন শান্তরা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন।

এদিন টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রাজশাহী শিরোপা উঁচিয়ে ধরার ব্রত নিয়েই মাঠে নেমেছিল, তা বোঝা গেল শুরুতেই। তানজিদ তামিম আর শাহিবজাদা ফারহানের জুটি শুরুতেই দেখিয়েছিল জয়ের পথ। ৮৩ রান আসে ওখান থেকেই।

তবে দিনটাকে এককভাবে নিজের করে নেন তামিম। শুরু থেকে শেষ তাঁর তান্ডবে ব্যাটিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে প্রতিপক্ষের বোলাররা। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ফাইনালের মঞ্চে শতক হাঁকান তিনি। বড় মঞ্চের সব আলো কুর্নিশ জানাতে বাধ্য হয়। তামিমের হাত ধরেই রাজশাহীর স্কোরবোর্ডে আসে ১৭৪ রানের সংগ্রহ।

চট্টগ্রামের সামনে এই লক্ষ্য তাড়া করে জেতা খুব সহজ ব্যাপার ছিল না। তা আরও অসম্ভব হয়ে যায় ইনিংসের শুরুতেই। নাইম শেখ মাথানিচু করে সাজঘরে ফেরেন, মাহমুদুল হাসান জয়ও চাপের ভারে নুইয়ে পড়েন। কৃতিত্বটা অবশ্য বিনুরা ফার্নান্দোর প্রাপ্য। যেমন কৃপণ বোলিং করেছেন, তেমনই উইকেট তুলেছেন খুনে মেজাজে। তিন ওভারে নয় রান দিয়ে ফিরিয়েছেন চট্টগ্রামের চার ব্যাটারকে।

ফাইনাল মহারণে চট্টগ্রামের কোন ব্যাটারই যে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারলেন না। এরপর যে আর ম্যাচের কিছু বাকি থাকে না। শেষমেষ ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম। ৬৩ রানের জয় নিয়ে শিরোপা জয়ের আনন্দে ভাসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link