অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর শতকের সামনে ঘরের মাঠে সিলেট টাইটান্সের অসহায় আত্মসমর্পন। উদ্বোধনী ম্যাচে রানবন্যার দিনে ফলাফল গেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পক্ষেই। রানের বিশাল পাহাড় অনায়াসেই টপকে গেল তারা, পেল আট উইকেটের বড় জয়।
এদিন রাজশাহীর আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে এসে শুরুটা শুভ করে সিলেট। সায়িম আইয়ুয়ের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান আসতে থাকে বোর্ডে। তবে ২৮ রান করেই থামতে হয় তাঁকে। হযরতউল্লাহ জাজাইও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগে ফিরে যান সাজঘরে।
পরের গল্পটা পারভেজ হোসেন ইমনের, মিডল অর্ডারের গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে নিতে থাকলেন। একপ্রান্তে রনি তালুকদার ধরে খেললেন, অন্যপ্রান্তে ইমন তুললেন ঝড়। ব্যাট থেকে এলো ৬৫ রানের হার না মানা ইনিংস। ফিনিশিং টাচটা দিলেন আফিফ হোসেন, তাঁর ৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে সিলেট তোলে ১৯০ রানের সংগ্রহ।

জিততে হলে ডিঙাতে হবে রানের পাহাড়, শুরু থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে হবে। এমন সব শর্তের বিপরীত রূপটাই দেখাল রাজশাহী। তানজিদ তামিম সুবিধা করে উঠতে পারেননি, শাহিবজাদা ফারহানও সময়ের দাবি মেটাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
ম্যাচটা যখন হাত থেকে ফসকে যাচ্ছিল একটু একটু করে, তখনই মঞ্চে এলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাট হাতে দৃঢ়তা, চোখে-মুখে আত্মবিশ্বাসের সবটা নিয়েই দলকে একাই টানলেন শান্ত। আদর্শ নেতার মতোই পথ দেখালেন দলকে। পেলেন বিপিএলের দ্বিতীয় শতকের দেখা।
শান্তকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। ফিফটি পেলেন তিনিও। চাপের আগুনে জল ঢেলে দিয়ে দুজনে শেষপর্যন্ত বিজয় উল্লাসে মাতলেন। রাজশাহী জয় পেল আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। আসরের শুরুটাও করল একেবারে রাজকীয় মেজাজে।












