ভগ্নস্তূপে দাঁড়িয়ে ব্যাট হাতে লড়াই করলেন মাহফুজুর রহমান রাব্বি, রাকিবুলের কাছ থেকে পেলেন যোগ্য সঙ্গ। দুজনের ব্যাটে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল পেল লড়াই করার পুঁজি।
সাউথ আফ্রিকার আমন্ত্রণে শুরুতেই ব্যাটিংয়ে এসে ধাক্কাটা খায় বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে আসা রিজওয়ান ব্যর্থ হলে রাফসান এবং রবিন সম্ভাবনা দেখায়। আফ্রিকান ফিল্ডারের দুর্দান্ত ক্যাচে রাফসান ফিরে গেলে শুরু হয় দলের বিপর্যয়। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
ফর্মে থাকা আকবর আলি ৩৮ রানে ফিরে গেলে বাংলাদেশ তখন খাদের কিনারে। ১১৮ রানেই নেই ৮ উইকেট, এমন অবস্থায় দলের ঢাল হয়ে দাঁড়ান রাকিবুল এবং রাব্বি। প্রথম ম্যাচে জয়ের নায়ক রাকিবুলের ব্যাট এদিনও ছিল বেশ সাবলীল।

রাকিবুলের ইনিংস থামে ৪০ বলে ৪২ রান করে। রাব্বির সাথে ৮৪ রানের জুটি গড়ে দলকে ভালো অবস্থানে রেখেই ফিরতে হয় তাকে। বাকি কাজটা করেন মাহফুজুর রাব্বি। দলের বিপর্যয়ে তুলে নেন নিজের ফিফটি। ৭৭ বলে ৫৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন লড়াই করার পুঁজি। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে জমা করে ২২৫ রান।
এই সিরিজে সবচেয়ে ভালো দিক, দলের সবাই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্ব নিয়ে খেলছে। মাহফুজুর রাব্বি বরাবরই সম্ভাবনাময় একজন ক্রিকেটার। ব্যাটের সাথে বোলিংটাও বেশ ভালোভাবেই করতে পারায় তাকে বলা হয় জুনিয়র সাকিব।
আজকের ম্যাচে যেভাবে খেলেছেন, তা প্রমাণ করে তার সক্ষমতা। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম যে সম্ভাবনার ছাপ রাখছে, রাব্বি তাদেরই একজন। অন্তত আজকের ইনিংসের পর তাকে ঘিরে প্রত্যাশা আরও বাড়বে, তিনি হতে পারবেন কি পরবর্তী সাকিব আল হাসান?












