১৭৯ রানের লক্ষ্য, প্রতিপক্ষের ডেরায় বাঘা বাঘা সব বোলার। এক কথায় আসরের সবচেয়ে ভয়ংকর বোলিং লাইনআপ। তবে মোহাম্মদ ওয়াসিম এবং নাজমুল হোসেন শান্তর যুগলবন্দী যেন সবকিছুকে স্রেফ হেসে উড়িয়ে দিল। ম্যাচটাকে একপেশে বানিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে এনে দিল সাত উইকেটের বিশাল জয়।
এদিন রাজশাহীর আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে আসা রংপুরের ইনিংস গোড়াপত্তনকারী হিসেবে এলেন তাওহীদ হৃদয়। জায়গা বদলেই যেন ভাগ্যটাও সুপ্রসন্ন হলো। কাইল মায়ার্স ব্যর্থ হলেন, লিটন দাসও হাঁটলেন একই পথে। তবে হৃদয় অবিচল থাকলেন একা নিজের মতো করে।
শেষদিকে খুশদিল শাহর সাথে গড়ে তোলেন হৃদয় ১০৫ রানের জুটি, দলকে এনে দেয় ১৭৮ রানের বড় সংগ্রহ। ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস আসে হৃদয়ের ব্যাট থেকে।

দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর আগে রংপুরই ছিল চালকের আসনে। ১৩ রানের মাথায় তানজিদ তামিম ফিরে যাওয়ায় যা বাস্তব রূপ লাভ করে। রাজশাহীকে তখন পাড়ি দিতে হতো এক কঠিন পথ। যার শেষে জয়ের নিশান রাখা রয়েছে।
তবে এই পথটা সহজ করে দিলেন ওয়াসিম এবং শান্ত। দুজনে রাজশাহীর হাল ধরলেন, বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন। সুযোগ বুঝে আক্রমণ, সময়ের দাবি মেনে ব্যাটিং। যেন সবকিছুই হলো হিসাব কষে। পুরস্কার স্বরূপ দুজনেই পেলেন ফিফটির দেখা।
শেষমেষ অবশ্য থামতে হলো শান্তকে। ৪২ বলে ৭৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে ফিরে গেলেন সাজঘরে। আর তাতেই ভাঙলো ১৪২ রানের অবিশ্বাস্য এক জুটি। যা পুরোটা সময় রংপুরের দুঃস্বপ্ন হয়েই ছিল।

তাতে অবশ্য কোনো ক্ষতি হয়নি রাজশাহীর। আসল কাজটা এই জুটি করে ফেলেছে তখনই। শান্ত ফিরে গেলেও ওয়াসিম মাঠ ছাড়েন ম্যাচ জিতিয়েই। তাঁর ৫৮ বলে ৮৬ রানের ইনিংসটা ম্যাচটাকে একপেশে বানিয়েছে। শক্তিশালী রংপুরকে মাথা নত করতে হয়েছে সাত উইকেটে হেরে।
Share via:











