টসে জিতে সিলেট বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিল। উদ্দেশ্য মিরপুরের টিপিকাল উইকেটে রংপুরকে যত কম রানে বেঁধে ফেলা যায়। পরিকল্পনা শতভাগ কাজে লাগল। রংপুরের ব্যাটাররা উইকেট বুঝে ওঠার আগেই ধরলেন সাজঘরের পথ।
সিলেটের বোলিং তোপে পুরোপুরি ব্যর্থ রংপুরের টপ অর্ডার। তবে হাল ধরলেন খুশদিল শাহ এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজনের ৩৪ রানের জুটি মান বাঁচায় রংপুরের। খুশদিলের ৩০ আর মাহমুদউল্লাহর ৩৩ রানে ভর করে রংপুরের স্কোরবোর্ডে আসে মাত্র ১১১ রান। খালেদ আহমেদ নিজের ঝুলিতে পুরেন চার চারটি উইকেট।

লক্ষ্যটা যতটা সহজ মনে হয়েছিল শেষ পর্যন্ত ততটা সহজ হলো না সিলেটের জন্য। শুরুর দিকে তৌফিক খান তুষারকে ফিরিয়ে রংপুরের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সময়ের সাথে আবার সিলেট ফিরে আসে ম্যাচে। এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল সহজেই বাগিয়ে নেবে ম্যাচটাকে।
তবে মরণকামড় দেয় রংপুর। নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে শেষ চেষ্টা চালায় রংপুর। দুই ওভারে সিলেটের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ১৫ রান। মুস্তাফিজের মাস্টারক্লাস বোলিংয়ের সুবাদে সিলেট তুলতে পারে মাত্র ছয়, হারায় এক উইকেট।
শেষ ওভারে নয় রান তুললেই বেঁচে থাকবে আশা। ফাহিম আশরাফ আর মঈন আলীর লড়াইটা তখন জমে উঠল। ওই ব্যাটেলটা ফাহিমের পক্ষে গেলে রংপুরের হাতে তখন ম্যাচ। শেষ দুই বলে সাত রান দরকার, নতুন ব্যাটার খালেদ সিঙ্গেল নিয়ে দিলেন ওকসকে।অভিজ্ঞতা আর চাপের মুহূর্তে ঠান্ডা থাকার মানসিকতার সুবাদে ওকসও ছক্কা হাঁকিয়ে নিশ্চিত করলেন দলের জয়। তাতেই সিলেটের বাধভাঙা উল্লাস। তিন উইকেটের পরাজয় নিয়ে রংপুরের আসর শেষ হলো।

Share via:











