তিনি এখন ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ফেরিওয়ালা। দেশ-বিদেশে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলে বেড়ানোই এখন কাজ রাইলি রুশোর। সেই ধারাতে পাকিস্তান সুপার লিগের মঞ্চেও হাজির তিনি। কিন্তু রুশো খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না।
পাকিস্তানের মাটিতে দাঁড়িয়ে চোখ ধাঁধানো ইনিংস ছিল উপস্থিত। তবে সেই অপেক্ষার প্রহর শেষে তিনি ফিরলেন শতকের হেভি মেটাল মিউজিল বাজিয়ে। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ধুন্ধুমার ব্যাটিংটাই করলেন প্রোটিয়া এই ব্যাটার। দুইশ ছাড়ানো স্ট্রাইকরেটে চলল তার উইলোবাজি।
শেষ ২০২৩ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন রাইলি রুশো। নানা কারণে জাতীয় দলে আর জায়গা হয়নি তার। তবে তাতে বিশেষ ক্ষতিও হয়নি। ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বিস্তৃতিতে অলস বসে থাকেননি তিনি। মারকুটে ব্যাটারদের তো ভীষণ কদর!

সেই ভাবনা থেকে কোয়েট্টা গ্ল্যাডিয়েটর্স রুশোকে ভিড়িয়েছিল নিজেদের ডেরায়। কিন্তু তার পেছনে লেগে থাকা বিশেষণের প্রতি খুব একটা সুবিচার তিনি করতে পারছিলেন না। ছয় ইনিংসে মোটে ১৩০ রান নিয়ে তিনি খেলতে নেমেছিলেন ইসলামাবাদের বিপক্ষে।
আর এক ম্যাচেই পরিসংখ্যানের ঘরটাকে খানিকটা হৃষ্টপুষ্ট করেছেন রাইলি রুশো। এদিন তার ব্যাট চলেছে ২২৬.০৮ স্ট্রাইকরেটে। ছক্কার ছক্কা হাঁকিয়েছেন, সেই সাথে আরও ১৪ বার বল গিয়েছে বাউন্ডারির ওপারে মাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে। ঝড়ের গতিতে রান যুক্ত হয়েছে তার নামের পাশে।
শেষ অবধি ১০৪ রান করে আউট হয়েছেন রাইলি রুশো। ততক্ষণে অবশ্য কোয়েট্টার ভিত্তি হয়ে গেছে দারুণ পোক্ত। সেখানটায় দাঁড়িয়ে কোয়েট্টার বাকি ব্যাটাররা স্রেফ উৎসব চালিয়েছেন। গড়েছেন রেকর্ড। রুশোর পর হাসান নাওয়াজের মারকাটারি শতকে পিএসএল সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ গড়েছে কোয়েট্টা।












