ডেথ ওভারেও নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়ে দিলেন রিশাদ হোসেন। মার্নাস লাবুশেনের উইকেট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি একটি রান খরচা করেছেন তিনি ইনিংসের ১৯তম ওভারে। এদিন রিশাদের বোলিং ফিগারটা নষ্ট হয়েছিল মূলত তার করা দ্বিতীয় ওভারে। কিন্তু এরপর যেভাবে তিনি কামব্যাক করলেন, তা সত্যিকার অর্থেই প্রশংসনীয়।
অস্ট্রেলিয়ার বুকে প্রশংসা কুড়াতে কুড়াতেই কাটছে রিশাদ হোসেনের দিন। বিগ ব্যাশে তিনি হোবার্ট হারিকেন্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যে পরিণত হয়েছেন। রিশাদ গুগলি করতে পারেন না বলে এই তো বছর খানেক আগেও প্রবল সমালোচনা হতো তাকে নিয়ে। সেই রিশাদের গুগলি নিয়ে বিগ ব্যাশের ধারাভাষ্যকক্ষে এখন আলোচনা হয়, বিশ্লেষণ হয়। কামব্যাক ঠিক এভাবেই করতে হয়।
এদিন ব্রিসবেন হিটের বিপক্ষে চার ওভার বোলিং করে রিশাদের খরচা হয়েছে ২৭টি রান। যার ১৬টি রানই এসেছিল তার করা দ্বিতীয় ওভারে। অজি ব্যাটার ম্যাট রেনশো একটু বেশি চড়াও হয়েছিলেন। সেই ব্যাটারকেই নিজের উইকেটে পরিণত করেছেন রিশাদ, নিজের ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে।

কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ আউট হন রেনশো। এর আগে নিজের প্রথম ওভারে রিশাদ বিলিয়েছেন পাঁচ রান, তৃতীয় ওভারে এক উইকেটসহ পাঁচ রানের পর, চতুর্থ ওভারেও রিশাদ দেখিয়েছেন তার সক্ষমতা। এদিন হোবার্টের অধিনায়ক নাথান এলিস, মোট আটজন বোলারকে ব্যবহার করেছেন।
তবুও ইনিংসের ১৯তম ওভারে তিনি রিশাদের উপরই ভরসা রেখেছিলেন। সেই ভরসার জায়গা রিশাদ নিজেই সৃষ্টি করে নিয়েছেন বটে। আস্থার প্রতিদানও রিশাদ দিতে ভুল করেননি। তার ওভারে ব্রিসবেনের ব্যাটাররা তিনটি রান নিতে সক্ষম হয়েছ বটে, তবে তার মধ্যে দুইটি ছিল লেগবাই।
অর্থাৎ রিশাদের নামের পাশে স্রেফ একটি রান খরচের হিসেবই যুক্ত হয়েছে। এছাড়াও সেই ওভারে লেগব্রেক বোলিংয়ে মার্নাস লাবুশেনকে আটকে ফেলেন রিশাদ হোসেন। তাকে সহয়তা করেন মিচেল ওয়েন। ইনিংসের ১৯তম ওভারে একরান আদায় করতে পারা যে ব্যাটিং ইউনিটকে কি পরিমাণ পীড়ায় ফেলে দেয়, তা নিশ্চয়ই বলে দেওয়ার নয়। এমন পীড়ার বলয় প্রতিনিয়ত সৃষ্টি করে যাচ্ছেন রিশাদ হোসেন।












