রিয়াদ এখনও সেরা ফিনিশার!

শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে দলকে আরও একবার জয় এনে দিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রিটায়ার্ড করেছেন বছর খানেক, বয়সটা প্রায় ৪০, নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকার সুযোগ নেই, তবুও রিয়াদ বুঝিয়ে গেলেন এখনও তিনি দেশসেরা ফিনিশারই আছেন। প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে বারবার সেই প্রমাণটাই দিয়ে যাচ্ছেন।

শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে দলকে আরও একবার জয় এনে দিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রিটায়ার্ড করেছেন বছর খানেক, বয়সটা প্রায় ৪০, নিয়মিত খেলার মধ্যে থাকার সুযোগ নেই, তবুও রিয়াদ বুঝিয়ে গেলেন এখনও তিনি দেশসেরা ফিনিশারই আছেন। প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে বারবার সেই প্রমাণটাই দিয়ে যাচ্ছেন।

উইকেটে যখন এলেন, দলের ওপর রান রেটের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। একটু থিতু হতে সময় নিলেন, পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করলেন। চার ওভারে তখন ৪১ রান দরকার। সেট ব্যাটার ডেভিড মালানও ফিরে গেছেন। কার্যত আশঙ্কার কালো মেঘটা ঘিরে ধরেছে রংপুরের আকাশে।

তখনই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এলেন রিয়াদ। ১৭তম ওভারে আমির জামালের প্রথম দুই বলেই দুই চার হাঁকালেন। ফিল্ডিং পজিশনে পরিবর্তন করেও রিয়াদকে আটকানো গেল না। তবে ওখানেই শেষ না, জামালের শেষ দুই বলে ছয় এবং চার আদায় করলেন রিয়াদ। ২০ রান তুলে ম্যাচটাকে নিয়ে এলেন রংপুরের ডেরায়।

শেষপর্যন্ত সাত বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতল রংপুর। রিয়াদের ব্যাট থেকে এলো ১৯ বলে ৩০ রানের নক। এটাই যে একটা স্টেটমেন্ট, বয়স বেড়েছে ঠিকই, তবে ধার কমেনি একটুও।

রাজশাহীর বিপক্ষে এক রান নিতে না পারায় সমালোচনা, ট্রল, এসবের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। জবাবটা দিয়ে দিলেন সাথে সাথে। টানা তিন ম্যাচে রিয়াদ নিজেকে প্রমাণ করে গেলেন। এক সাইড নির্ভর ব্যাটিং নয়, মাঠজুড়ে সময়োপযোগী সব শটের পসরা সাজিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, এখনও তিনি অনেকের থেকে সেরা, এখনও দেশসেরা ফিনিশারের তকমাটা তাঁর নামের পাশেই মানায়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link