ধীরগতির ব্যাটিং করায় উঠিয়ে নেওয়া হলো রিজওয়ানকে!

একেবারে বিরক্ত হয়েই মোহাম্মদ রিজওয়ানকে উঠিয়ে নিলেন মেলবোর্ন রেনেগেডস অধিনায়ক উইল সাদারল্যান্ড। ইনিংসের শেষদিকে যেখানে দ্রুতগতিতে রান দরকার, সেখানে রিজওয়ান যেন অপরাধ করে বসলেন। একের পর এক ডট বল খেলে অধিনায়কের বিরক্তির কারণ হলেন। অবশেষে রিটায়ার্ড আউট হয়ে মাঠ ছাড়তে হলো তাঁকে।

একেবারে বিরক্ত হয়েই মোহাম্মদ রিজওয়ানকে উঠিয়ে নিলেন মেলবোর্ন রেনেগেডস অধিনায়ক উইল সাদারল্যান্ড। ইনিংসের শেষদিকে যেখানে দ্রুতগতিতে রান দরকার, সেখানে রিজওয়ান যেন অপরাধ করে বসলেন। একের পর এক ডট বল খেলে অধিনায়কের বিরক্তির কারণ হলেন। অবশেষে রিটায়ার্ড আউট হয়ে মাঠ ছাড়তে হলো তাঁকে।

ক্রিকেটের ভাষায় যাকে বলে একেবারে ‘ফ্ল্যাট ট্র্যাক’। বোলারদের জন্য কোনো সহানুভূতি নেই সেখানে। ব্যাটার কাজ শুধু রান করা। এমন উইকেটে সাধারণত ব্যাটাররা চোখ বুজে খেলেন, স্ট্রাইক রেট থাকে আকাশছোঁয়া। কিন্তু মেলবোর্নের সেই ব্যাটিং স্বর্গেই ঘটল এক অস্বস্তিকর দৃশ্য। যার কারিগর রিজওয়ানই।

দশম ওভারের মাথায় ব্যাটিংয়ে এলেন। একেবারে সহজ কাজ, রানের চাকা সচল রাখতে হবে। তবে রিজওয়ান আসতেই রেনেগেডসের রান যেন আটকে গেল। একের পর এক ডট খেললেন, বাউন্ডারি যেন আকাশের চাঁদ।

স্লগ ওভারে রিজওয়ানের ব্যাট বিরক্তির সব সীমা অতিক্রম করল। ২৩ বলে নামের পাশে ২৬ রান। দুই চার আর এক ছক্কা হাঁকানোর পরেও স্ট্রাইক রেট মাত্র ১১৩। আর তাতেই সাদারল্যান্ড উঠিয়ে নিলেন তাঁকে। স্বেচ্ছায় সাজঘরে ফিরতে হলো রিজওয়ানকে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন আধুনিক হয়েছে। সবার লক্ষ্য এখানে একটাই, দ্রুত রান তুলতে হবে, এক কথায় ঝড় তুলতে হবে ব্যাটে। রিজওয়ান যেন আধুনিকতার উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে আছেন। সেকেলে ধাচের ওয়ানডে স্টাইলের ব্যাটিংয়ে এখনও ভরসা রেখেছেন তিনি।

তবে রিজওয়ান যে এই ফরম্যাটের জন্য না। অনেকটা জোর করেই খেলছেন যেন। আর ফলস্বরূপ বারবার ব্যর্থতার খাদে পড়ে যাচ্ছেন। যার সবচেয়ে নির্মম রূপটা দেখতে হলো রিটায়ার্ড আউট হয়ে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link