চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নেমে শুরুটা মন্দ না হলেও দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বিদায় হয় ইমাম ইল হকের। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে বাবর আজমের বিদায়ের পরই রান আউট হন ইমাম। আর সেই ঘটনাকে ‘পরিবারতান্ত্রিক’ বিপর্যয় বলে আখ্যা দেয় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বিজ্ঞ ধারাভাষ্যকার মহল সেখানে সুনীল গাভাস্কার, রবি শাস্ত্রীর সাথে ছিলেন পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরামও।
হ্যা, ইনজামাম-উল-হক রান আউট তো বটেই, বিচিত্র ধরণে আউট হওয়াকে তিনি নিয়ে গেছেন শিল্পের পর্যায়ে। এমনকি ২০০৬ সালে একবার ভারতের বিপক্ষে অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ডেরও শিকার হন তিনি। তবে, এবারের গল্প ভাতিজা ইমাম উল হককে ঘিরে।
১০ম ওভারের দ্বিতীয় বলে কুলদীপ যাদবের ডেলিভারিটা মিড-অন অঞ্চলে ঠেলে দিয়েই দৌড় দিলেন ইমাম। বিপদটা এখানেই। অক্ষর প্যাটেল যেন বিদ্যুৎ গতিতে ছুটে এসে সরাসরি স্টাম্প ভেঙে দিলেন। ইমাম প্রাণপণে ডাইভ দিলেন, কিন্তু লাভ হলো না। ২৬ বলে ১০ রান করে তাকেও ফিরতে হলো প্যাভিলিয়নে।

আসল নাটকটা ঘটল দুবাইয়ের ধারাভাষ্য কক্ষে। রবি শাস্ত্রী তখনই টেনে আনলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটার ইনজির নাম। কারণ? আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ৪৬ বার রান আউটের ‘বিরল’ রেকর্ড ইনজামামের দখলে। তার ভাতিজা ইমামও সেই পথেই হাঁটছেন—এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন শাস্ত্রী।
সঙ্গে সঙ্গে সুনীল গাভাসকার রসিকতা করে বললেন, ‘রবি, তুমি জানতে চেয়েছিলে এই রান আউটের বিষয়টা পরিবারিক কি না? আমি তো এখানে কোনো রানই দেখতে পাচ্ছি না।;
সেই মুহূর্তেই মাইক্রোফোনের ওপারে হাসির রোল পড়ে যায়। কিন্তু একটু চুপ থেকে ঠোঁটে দুষ্টুমি মিশিয়ে ওয়াসিম আকরাম জানালেন, ‘এই বিষয়ে আমার কিছু না বলাই ভাল। ইনজি ভাই রাগ করতে পারেন। তবে আমিও হয়তো এর মধ্যে আছি। আমিও দৌড়ানোর দিক থেকে খুব একটা ভালো ছিলাম না!’

আকরাম সোজাসাপ্টা বলেই দিলেন, ‘তবে, এটা ছিল আত্মঘাতী রান। একদমই দরকার ছিল না। ইমাম সেট হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু এক ভুল সিদ্ধান্তে ফিরে গেল ড্রেসিং রুমে।’










