মুশফিকের অভিজ্ঞতার সামনে হেরেছে চট্টগ্রাম

জয় ছিনিয়ে দলের মান সম্মুন্নত রেখে মুশফিক মাঠ ছেড়েছেন। অভিজ্ঞতার দাম ঠিক কতটুকু তিনি আরও একটিবার বোঝালেন।

পুরনো চাল ভাতে বাড়ে। মুশফিকুর রহিম যখনই সুযোগ পাচ্ছেন- তখনই বাংলা প্রবাদটাকে প্রতিষ্ঠিত করে যাচ্ছেন ক্রিকেট ময়দানে। টেবিল টপার নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্ত থেকে তিনি বাঁচিয়েছেন নিজের দলকে। জয় ছিনিয়ে দলের মান সম্মুন্নত রেখে তিনি মাঠ ছেড়েছেন। অভিজ্ঞতার দাম ঠিক কতটুকু তিনি আরও একটিবার বোঝালেন।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে, খুব বেশি রান জড়ো করতে পারেনি চট্টগ্রাম রয়্যালস। রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে বেজায় কঠিন সময় পার করতে হয়েছে চট্টগ্রামের ব্যাটারদের। আসিফ আলীর ৩৯ রানের কল্যাণে বহু কষ্টে ১২৫ অবধি পৌঁছায় চট্টগ্রামের সংগ্রহ। তানজিম হাসান সাকিব বাগিয়ে নেন ৪টি উইকেট।

জবাব দিতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সও পড়ে যায় বিপাকে। শরিফুল ইসলামের বোলিং তোপে ২১ রানেই রাজশাহীর টপ অর্ডার সাজঘরে। সেখানেই বরং জেগেছিল পরাজয়ের শঙ্কা। ৩১ রানের মাথায় জিমি নিশাম আউট হলে, রাজশাহীর পরাজয় তখন ছিল স্রেফ সময়ের ব্যাপার। কিন্তু সেখান থেকেই পাশার দান পালটে দেন মুশফিকু রহিম।

তরুণ আকবর আলী মূলত মোমেন্টাম শিফটার। চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে চাপ প্রশমিত করে দেন তিনি। ৪১ বলে ৪৮ রানে আকবর আউট হলেও টলানো যায়নি মুশফিকুর রহিমকে। ৪৫ রানে অপরাজিত থেকেছেন তিনি একেবারে শেষ পর্যন্ত। এ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স। শিরোপার দাবি আরও প্রবল করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

 

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link