ঢাকার বিপক্ষে রাজশাহীর দাপুটে জয়

রীতিমত হেসেখেলে ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল কেন রাজশাহী- সেটা তারা বুঝিয়েছে ব্যাটে-বলে দূর্দান্ত পারফরম করে।

রীতিমত হেসেখেলে ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল কেন রাজশাহী- সেটা তারা বুঝিয়েছে ব্যাটে-বলে দূর্দান্ত পারফরম করে। ঢাকা ক্যাপিটালসের প্লে-অফ খেলার স্বপ্ন যেন সময়ের সাথে সাথে একটি একটি পরাজয়ে মলিন হয়ে যাচ্ছে।

এদিন সিলেট পর্বের শেষ ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা ক্যাপিটালস। কিন্তু তাদের সেই সিদ্ধান্ত ফলরুপে ধরা দেয়নি। বরং বলা যেতে পারে রাজশাহীর বোলাররা বাইশ গজে ঢাকার ব্যাটারদেরকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি। যদিও শুরুটা ভালই হয়েছিল ঢাকা ক্যাপিটালসের। ৫৪ রানের উদ্বোধনী জুটির পর থেকেই ছন্দপতন ঘটে।

পরবর্তী ৭৭ রান তুলতেই তলপি-তল্পা গুটিয়ে যায় ঢাকা ক্যাপিটালসের। আবদুল গাফফার সাকলাইন চার উইকেট তুলে নেন। অন্যদিকে রিপন মণ্ডল ইনিংসের শেষ ওভারে তুলে নেন এবারের বিপিএলের তৃতীয় হ্যাটট্রিক। তাতে করে ১৩১ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালসকে।

জবাব দিতে নেমে এদিন রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের ম্যাচ উইনার বনে গেলেন তানজিদ হাসান তামিম। ১৭৬ স্ট্রাইকরেটে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন তানজিদ তামিম। তার ৪৩ বলের ইনিংসেই রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের জয়ের পথটা সুগম হয়ে যায়। ঢাকার কোন বোলারই সেই অর্থে রাজশাহীর ব্যাটিং অর্ডারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেনি।

এদিন অবশ্য রাজশাহীর নিয়মিত পারফরমার নাজমুল হোসেন শান্ত স্রেফ ৫ রানেই ফিরেছেন প্যাভিলিয়নে। অন্যদিকে দারুণ ছন্দে থাকা মুহাম্মদ ওয়াসিম ২২ রানেই থেমেছেন। তবুও খুব একটা বিপদে পড়তে হয়নি রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সকে। তামিম আউট হওয়ার পর, অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও জিমি নিশাম ঢাকার পরাজয় মঞ্চস্থ করেই মাঠ ছেড়েছেন। ২৩ বল বাকি থাকতে সাত উইকেট বড় জয় যুক্ত হয় রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের নামের পাশে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link