দুর্দমনীয় রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স। জয়ের ধারা তাদের চলমান। তুলে নিয়েছে নিজেদের সপ্তম জয়। সিলেট টাইটান্সকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থানে নিজেদের জায়গা পোক্ত করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে রাজশাহীর জয়ের ব্যবধান স্রেফ পাঁচ রান।
চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা বোলিং আক্রমণ রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সের। তাইতো সেই বোলিং ইউনিটকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সিদ্ধান্ত সিলেট অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের। প্রথমে বোলিং করে, স্বল্প রানে আটকে রাখার পায়তারা করে তারা রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সকে।
সে কাজে শুরুতেই সফলতা ধরা দেয় সিলেটের ঝুলিতে। ২৭ রান তুলতেই প্যাভিলিয়নে রাজশাহীর দুই ওপেনার। এরপর ইনফর্ম শান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাকে সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। এই দুইজনই ছিলেন রাজশাহীর পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ৩৪ রান করে শান্ত আউট হন, ৪০ রানে থামে মুশফিকের ইনিংস।

তাতে করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান অবধি পৌঁছাতে সক্ষম হয় রাজশাহীর সংগ্রহ। লক্ষ্যমাত্রা খুব বড় না হলেও, মিরপুরের উইকেটটা ছিল ট্রিকি। সেই ট্রিকি উইকেটে দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালস ১২৭ রান তাড়া করতে গিয়েও পা পিছলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। রাজশাহী সেই ভাবনাতেই জয় তুলে নিতে ছিল উদ্বুদ্ধ।
সিলেট টাইটান্সের ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন, রান সংগ্রহের তালিকায় রয়েছেন উপরের সারিতে। এদিনও তিনি রান তাড়ায় অগ্রণীয় ভূমিকাই রেখে যাচ্ছিলেন ইমনের ব্যাটে। কিন্তু ৪১ রানে ইমন আউট হলে সমীকরণ ক্রমশ কঠিন হতে থাকে। কঠিন সেই সমীকরণকে শেষের দিকে সরল করার চেষ্টা চালান মঈন আলী।
কিন্তু তাকেও থামতে হয় রিপন মণ্ডলের বলে। শেষ অবধি, খুব কাছে গিয়েও জয়ের দূরত্ব পেরুতে পারেনি সিলেট টাইটান্স। রাজশাহীর বোলাররা সিলেটের চ্যালেঞ্জ উতরে যায় বেশ ভালভাবেই। রিপন তুলে নেন চারটি উইকেট। ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪২ অবধিই শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিল সিলেটের সংগ্রহ।












