শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে পাত্তাই পায়নি কানাডা। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রানার্সআপ দলটি ব্যাটে-বলে সর্বত্র পার্থক্য দেখিয়ে দিয়েছে চোখে আঙুল দিয়ে। ৫৭ রানের বিশাল জয় নিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নযাত্রা শুরু করল প্রোটিয়ারা। ২০২৪ এর গ্লানি ভুলে শিরোপার খরা মেটানোর দৃঢ় প্রত্যয় ফুটে উঠেছে প্রোটিয়াদের পারফরমেন্সে।
টসে জিতে কানাডা প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় দক্ষিণ আফ্রিকাকে। তুখোড় সব ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ের নিমন্ত্রণ জানানো মানে খাল কেটে কুমিড় ডেকে আনা। তবে কানাডা লক্ষ্যহীন থাকতে চায়নি। অস্বস্তি নিয়ে ব্যাটিং করতে চায়নি যে ঠিক কতটুকু রান তোলা প্রয়োজন। সে কারণেই সম্ভবত তারা প্রথমেই বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।

কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি তাদের জন্য। এইডেন মার্করামরা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং থেকে এক চুল পরিমাণও সরে দাঁড়াননি। আবার ধুন্ধুমার ব্যাটিংটাও যে তারা করেছেন তা বলবার উপায় নেই। নিজেদের স্বাভাবিক ব্যাটিংটা করেই প্রোটিয়ারা স্কোরবোর্ডে তুলে ফেলে ২১৩ রান।
এক মার্করাম ছাড়া আর কেউই অর্ধশতকের গণ্ডি পার করেননি। তারপরও তাদের সংগ্রহ ছাড়িয়ে গেছে ২০০ রান। উইকেট পতন ঘটেছিল মাত্র চারটি। ঠিক ওখানেই হয়ত মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়ে কানাডা। তবে খর্বশক্তির দলগুলোর লড়াই করবার মানসিকতা নিশ্চয়ই ছিল তাদের অনুপ্রেরণা।

নাভনীত ধানিওয়াল ৬৪ রানের দারুণ একটী ইনিংস খেলে লড়াকু মানসিকতার প্রতিচ্ছবি তুলে ধরতে চাইলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা আর শক্তিমত্তার কাছে দলের বাকিরা নিষ্ক্রিয় থাকায়, শেষ অবধি আর ম্যাচ জমিয়ে তোলা হয়নি কানাডার। হাতে দু’টো উইকেট রেখে সর্বসাকুল্যে ১৫৬ রান অবধি পৌঁছায় কানাডা। গত আসরের ফাইনালিস্টদের বিপক্ষে ১৫০ রান করতে পারাটাও কম প্রাপ্তি নয়।











