অক্ষর প্যাটেলকে লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা হাকালেন। ধারাভাষ্য থেকে সঞ্জয় মাঞ্জরেকার বলে উঠলেন, ‘দিস গাই ক্যান ব্যাট!’ হ্যাঁ, তিনি এক ম্যাচের ‘বিস্ময়’ নন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষের ম্যাচের পারফরম্যান্সটা তিনি টেনে এনেছেন ভারতের বিপক্ষেও। শুধু টেনে আনাই নয়, এদিন সাইফ হাসান দুবাইয়ে ছিলেন আরও দানবীয় মুডে। ভারতের স্পিন আক্রমণের বিপক্ষে কিভাবে ব্যাট করতে হয় দেখিয়ে দিয়েছেন সাইফ হাসান।
অক্ষর প্যাটেলের বিপক্ষে ছক্কা হাকাতে হবে? সাইফ হাসান আছেন। বরুণ চক্রবর্তীকেও একই দু:স্বপ্ন উপহার দিতে হবে? তিনি আছেন। কুলদ্বীপ যাদবকে নেগোশিয়েট করতে হবে? সাইফ হাসান আছেন। তিনি আছেন ভারতের স্পিন আক্রমণের জবাব হয়ে।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে স্পিনের বিপক্ষে নি:সন্দেহে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটার এখন মোহাম্মদ সাইফ হাসান। যদিও, এই যাত্রাটা শুরু হয়েছিল বল হাতে। মাত্র দুই ওভার বোলিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি মাঝের ওভারে। সেখানে উইকেট না পেলেও রান দিয়েছেন মাত্র সাতটি।
ভারতের রান যে ২০০-তে চলে যায়নি সেখানে বড় অবদান আছে সাইফ হাসানের। বাকি গল্পটা শুধুই ব্যাটিংয়ের। বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের পুরোটা জুড়েই ছিলেন তিনি। ব্যাট করতে নামেন ওপেনিংয়ে। ভারত তাঁকে পঞ্চম চেষ্টায় ক্যাচে পরিণত করতে পারে। নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৫১ বলে করেন ৬৯ রান। পাঁচটি ছক্কা আর তিনটি চারে সাজানো ইনিংস। তাঁর সাথে অন্তত আর একজন ব্যাটার ভারতের সামনে প্রতিরোধ গড়তে পারলে ম্যাচটা ভিন্ন হতে পারত।











