বোর্ডে মামুলি একটা লক্ষ্য, ক্রিজে ছন্দে থাকা সাইফ হাসান। নির্ভেজাল দৃষ্টিনন্দন শটের পসরা বসানোর এর চেয়ে বড় সুযোগ তাই আর হতেও পারে না।
সাইফ হাসানও শট খেলতে কোনো কার্পণ্য রাখলেন না। সুযোগটা কাজে লাগালেন তিনি। ৭৮ বলে করলেন ৮৭ রান। সেঞ্চুরির আক্ষেপ থাকবেই। তবে, পাকিস্তান সিরিজের আগে আত্মবিশ্বাসের রসদ ঠিকই পেয়ে গেলেন।

তিনটি ছক্কা আর পাঁচটি চারে সাজানো ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ নাইম শেখের সাথে যোগ করলেন ১৬৪ রান। আর এই জুটিই সেন্ট্রাল জোনের জয়ের পথটা সহজ করে।
শেষ পর্যন্ত লড়াইটা ছিল এক তরফা। তাতে, ১২ ওভার বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সেন্ট্রাল জোন। জয়ের ব্যবধান ছিল পাঁচ উইকেটের।

গেল অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপেও ফর্মে ছিলেন। এবার বিসিএল ওয়ানডের ফাইনালে বড় ইনিংস খেলে সাইফ হাসান ঘোষণা করলেন, বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ মুছে ফেলেছেন তিনি। এবার তিনি ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে মোকাবেলায় পুরোদমে প্রস্তুত।










