পর পর দুই বলে জাকের আলী আর শামিম হোসেন পাটোয়ারিকে আউট করে লড়াই জমিয়ে তুলেছিলেন মুজিব উর রহমান। আফগানিস্তান খেয়ালই করেনি, আড়ালে দাঁড়িয়ে হাসছেন সাইফ হাসান। সাত ছক্কায় সাজানো অনবদ্য আর কৌশলী এক ইনিংসে ভর করে দুই ওভার হাতে রেখেই জিতল বাংলাদেশ।
করতে হবে মোটে ১৪৪ রান। উদ্বোধনী জুটি থেকে এল ২৪ রান। কিন্তু, এরপর তেমন বাঁধার সৃষ্টি করতে পারেনি আফগান বোলিং। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তানজিদ হাসান তামিমের সাথে সাইফ হাসান যোগ করেন ৫৫ রান। ৬৪ রান অপরাজিত থাকেন সাইফ হাসান। মিডল অর্ডারে ছোট্ট একটা ধস উঁকি দিলেও তিনি স্বাচ্ছন্দে ব্যাট চালিয়ে বাংলাদেশকে ভিড়িয়ে দেন জয়ের বন্দরে।

টসে হেরে আফগানিস্তানের ব্যাটিং ছিল মোটামুটি ধীর গতির, ফলে তারা ইনিংস শেষ করেছে প্রত্যাশার চেয়ে কম স্কোরে। উইকেট কিছুটা ধীরগতির হলেও বলা যায়, তারা অন্তত ২০ রান কম করেছে। দুই ওপেনারই দ্রুত ফিরে যান, আর তারাখিল পাওয়ারপ্লের শেষ বলেই আউট হন। পাওয়ারপ্লের শেষে স্কোরবোর্ডে মাত্র ৩৯ রান, সাজঘরে চলে গেছেন তিন ব্যাটার। তখনই আফগানিস্তান পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে।
আতাল কিছুটা আশার আলো দেখালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। বাংলাদেশের বোলাররা লাইন, লেন্থ আর গতির বিচক্ষণ পরিবর্তনে একের পর এক উইকেট তুলে নিতে থাকেন। দারউইস রাসুলি এক প্রান্ত ধরে রেখেছিলেন ঠিকই, কিন্তু দলকে এগিয়ে নিতে পারেননি প্রত্যাশামতো।

ইনিংসের শেষ দিকে মুজিবুর রহমান কিছু বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে ১৪০ রানের ঘর ছাড়াতে সাহায্য করেন। বাংলাদেশের সেরা বোলার ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নিয়েছেন তিনটি উইকেট। নাসুম আহমেদ ও তানজিম সাকিব পেয়েছেন দুটি করে উইকেট।
বোলারদের গড়ে দেওয়া মঞ্চে আফগানদের হোয়াইটওয়াশ হওয়া নিশ্চিত করে বাংলাদেশের ব্যাটাররা, আরও নির্দিষ্ট করে বললে এক সাইফ হাসানের প্রতাপের কাছেই মুখ থুবড়ে পড়ল আফগানিস্তান দল।










