মধুর সমস্যায় পড়েছেন সাইফ হাসান। টি-টোয়েন্টিতে যখন যে জায়গায় খেলছেন পারফরম করছেন। কিন্তু, সংকট হল তাঁর স্থায়ী কোনো পজিশন নেই। টিম ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনা স্থীর করতে পারেনি, আসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সেটা পারা যাবে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
সম্ভবত এই মুহূর্তে সাইফ হাসানই বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র। এশিয়া কাপ কিংবা আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ, সব জায়গাতেই নিজেকে দিয়েছেন উজাড় করে।
চলতি বছরের ১০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের নয় ইনিংসে ৪৪ গড়ে রান করেছেন। স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৪০, কেবল ছক্কাই হাকিয়েছেন ২৪ টি। এই সময়ে তিনি ভিন্ন ভিন্ন পজিশনে খেলেছেন।

চার নম্বর পজিশনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজে তাঁর প্রায় চার বছর পর জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন হয়। এর পরের পাঁচটি ইনিংসে তিনি ছিলেন ওপেনার, এরপরের তিন ম্যাচে খেলেন তিন নম্বরে।
কোনো জায়গাতেই তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। চার নম্বরে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন। সবচেয়ে বেশি সাফল্য পান ওপেনিংয়ে। দু’টো হাফ সেঞ্চুরি করেন শ্রীলঙ্কা ও ভারতের বিপক্ষে।
সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তিন নম্বরে খেলেন। সেখানে শেষ ম্যাচে সাত ছক্কায় সাজানো ৩৮ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন, স্ট্রাইক রেট যেখানে প্রায় ১৭০ ছুঁয়ে গেছে।

কিন্তু, তাঁর সেরা জায়গা কোনটা, কিংবা কোন পজিশনে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁকে চায় বাংলাদেশ? – এই প্রশ্নের আদৌ কোনো জবাব নেই।
লিটন দাস নিয়মিত অধিনায়ক। তিনি ফিরলে স্বাভাবিক ভাবেই খেলবেন তিন নম্বরে। ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন থিতু হয়ে গেছেন। এশিয়া কাপের মত বড় বিপর্যয় না হলে সেই জুটি ভাঙবে না বাংলাদেশ।
তাহলে কি চারে খেলবেন সাইফ? চার নম্বরে বাংলাদেশ খেলিয়ে থাকে তাওহীদ হৃদয়কে। তবে, সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর জায়গা নড়বড়ে। কিন্তু, চার নম্বর সাইফের জন্য একটু বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। শীর্ষ ব্যাটারকে এত নিচের দিকে খেলাতে চাইবে না বাংলাদেশ।

তাহলে উপায়? মধুর এই সংকটের সমাধান কি করে করবে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট? নাকি ফ্লোটার হিসেবেই খেলবেন সাইফ হাসান?










