ক্যারিয়ারের খুবই ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে আছেন সাইফ হাসান। নিউজিল্যান্ড সিরিজটা তাঁর জন্য আক্ষরিক অর্থেই আরেকটি লাইফলাইন। নির্বাচকরা আবারও বাজি ধরেছেন সাইফ হাসানে, পর্যাপ্ত সুযোগ দিয়ে তবেই নেওয়া হবে সিদ্ধান্ত।
সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তিন ম্যাচ মিলিয়ে মাত্র ৫২ রান—সংখ্যাটা কোনোভাবেই একজন টপ অর্ডার ব্যাটারের পক্ষে স্বস্তির নয়। নয় ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে একটি মাত্র ফিফটি, সেটাও খুব বেশি আশার আলো জ্বালাতে পারেনি। তবুও আশ্চর্যভাবে, এখনও তাঁর ওপর ভরসা হারাচ্ছেন না নির্বাচকরা। তাই নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজেও জায়গা পেয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
এক অর্থে নিজেকে ভাগ্যবান ভাবতেই পারেন সাইফ। কারণ টি-টোয়েন্টিতে মাঝে মাঝে ঝলক দেখালেও, ওয়ানডেতে তাঁর ব্যাট এখনও পুরোপুরি কথা বলেনি। ইনিংস গড়ার সেই পরিণতিটা বারবারই অধরা থেকে গেছে।

অন্যদিকে ডাগআউটে অপেক্ষা করছেন সৌম্য সরকার। গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে রান পেয়েও একাদশে জায়গা হয়নি তাঁর। অভিজ্ঞতা, আগের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে সুযোগের দরজায় যেন নীরবে কড়া নাড়ছেন তিনি।
এই বাস্তবতা খুব ভালো করেই জানেন সাইফ হাসান। সামনে সুযোগ আছে, কিন্তু সময় খুব বেশি নয়। ব্যর্থতার তালিকা যদি আরও দীর্ঘ হয়, তাহলে জায়গা ছেড়ে দিতে হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ যেমন আসে, তেমনই হারিয়েও যায় দ্রুত।
এখন দেখার বিষয়, এই আস্থার প্রতিদান দিতে পারেন কিনা সাইফ—নাকি অপেক্ষার অবসান ঘটবে সৌম্য সরকারের। সাইফ হাসান কি পারবেন সেই চ্যালেঞ্জ নিতে?











