টম ব্যান্টনের ব্যাট এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিল ইংল্যান্ডকে। আশঙ্কার মেঘ সরিয়ে তিনিই আলো ফিরিয়ে আনলেন ইংলিশ শিবিরে। সুপার এইটে যেতে হলে জিততেই হবে, এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে সব হিসাব সহজ করে দিলেন, তাতেই স্কটল্যান্ড হারল পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে।
বাঁচা-মরার লড়াই, কোন ভুল করার সুযোগ এখানে নেই। টস ভাগ্যে জিতে স্কটল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় ইংল্যান্ড। শুরুটা আশাব্যঞ্জকই হয়। পাওয়ারপ্লেতে ৪২ রানে আটকে রেখে স্কটিশদের তিন উইকেট বাগিয়ে নেয় ইংলিশরা। তবে এরপরই লাগাম ছুটে যায়, স্কটল্যান্ড প্রতি মুহূর্তেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় ইংল্যান্ডকে।
অধিনায়ক রিচি বেরিংটনই দলকে নেতৃত্ব দেন সামনে থেকে। ৩২ বলে ৪৯ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস আসে তাঁর কাছ থেকে। তবে আদিল রশিদের ঘূর্ণি জাদু আবারও ম্যাচে ফেরায় ইংল্যান্ডকে। ১১৪ থেকে ১২৭ এই ১৩ রান তুলতেই স্কটল্যান্ড হারিয়ে ফেলে পাঁচ ব্যাটারকে। শেষদিকে ওলিভার ডেভিডসনের ২০ রানের সুবাদে কোনমতে ১৫২ রান তোলে স্কটল্যান্ড।

যে লক্ষ্যটা অনায়াসে হতে পারত ১৭০-৮০ সেখানে এই রান ইংল্যান্ডের সামনে সহজই বলা যায়। তবে চাপে থাকা দলটা চাপ বাড়িয়ে নিল শুরুতেই। ফিল সল্ট এবং জশ বাটলারকে ১৩ রানের মাথায় হারিয়ে ফেলে ইংলিশরা। আশঙ্কা জেগে ওঠে, তবে কি গ্রুপ পর্বেই বিদায়ের ঘণ্টা বাজবে।
বেগতিক অবস্থা দেখে এগিয়ে আসেন টম ব্যান্টন এবং জ্যাকব বেথেল। ৬৬ রানের জুটি গড়ে সামাল দেন সাময়িক বিপর্যয়। তবে মাঝপথে ফিরতে হয় বেথেলকে, সাত রানের ব্যবধানে হ্যারি ব্রুকও পরাজিত সৈনিকের ভেশে মাঠ ছাড়েন। আবারও এক শঙ্কার মেঘ ঘনীভূত হতে থাকে ইংল্যান্ডের আকাশে।
তবে ব্যান্টন বদ্ধপরিকর জয়ের জন্য। মাটি কামড়ে পড়ে থাকলেন ক্রিজে। ইংল্যান্ডের ভরসা তখনও তাঁর কাঁধ। প্রতিদানও দিলেন তিনি। ফিফটি তুললেন, দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিলেন। তাঁর খেলা ৪১ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে শেষমেষ পাঁচ উইকেটের জয় এনে দিল ইংল্যান্ডকে। এ যাত্রায় তাই রক্ষা পেল ইংলিশদের বিশ্বকাপ অভিযান। ইতালির সাথে শেষ ম্যাচ জিতলেই সুপার এইটে যাওয়া প্রায় সুনিশ্চিত হয়ে যাবে।

Share via:











