টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যর্থতার গ্লানি মুছে ফেলে শাহিন শাহ আফ্রিদি শুরু করতে চলেছেন নতুন মিশন। অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডেতে তার ট্র্যাকরেকর্ড দারুণ। অবশ্য শুরুই করেছেন কেবল। অধিনায়ক শাহীনের অধীনে পাঁচটি ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে পাকিস্তান। এর মধ্যে জিতেছে চারটিতে।
বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার আগে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কাকে নিজেদের আঙিনায় ধরাশায়ী করার সুখস্মৃতি সঙ্গী করে হাজির হয়েছে পাকিস্তান। তবে সেই ম্যাচগুলোতে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদির পারফরমেন্স ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। যে পাঁচ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন শাহিন, সেই পাঁচ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা সব মিলিয়ে চারটি।
এর মধ্যে দু’টো ম্যাচে তিনি কোন উইকেটের দেখা পাননি। হতাশাজনক বিষয় হচ্ছে, ওয়ানডেতে প্রাপ্ত তার সেই চার উইকেটের তিনটিই লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের উইকেট, অথচ শাহিনকে বিবেচনা করা হয় বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের প্রিমিয়াম ফাস্ট বোলার হিসেবে। তার আগমনে সেই বার্তাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় তিনি হয়েছে কক্ষচ্যুত। গ্রেট হওয়ার বদলে বনে যাচ্ছেন সাদামাটা একজন নির্বিষ বোলার।

কিন্তু এই শাহিন আফ্রিদির সুইংয়ে কাবু হয়েছেন বেশ নামকরা ব্যাটাররা। কিন্তু সেই তিনিই জৌলুস হারাতে শুরু করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে তাই নিজেকে ফিরে পাওয়ার ব্যক্তিগত মিশনে নামতে চলেছেন আফ্রিদি। তিনি জানেন ঘরের মাঠে বাংলাদেশকে পরাস্ত করা বেশ কষ্টসাধ্য বিষয়।
এর উপর তিনি কখনোই বাংলাদেশের মাটিতে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেননি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ছাড়াও দু’টো টেস্ট ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন বাংলাদেশের মাটিতে। কন্ডিশন আর ফরম্যাট অনুযায়ী মানিয়ে নিতে খানিক বেগ হয়ত পোহাতে হবে শাহিনকে। তবে শাহিন নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টাই চালাবেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
কেননা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে চারখানা ওয়ানডে খেলেছেন। এক ফাইফারসহ ১২ উইকেট তুলেছেন। স্বাভাবিকভাবে ব্যাটারদের সামর্থ্যের আবছা ধারণা তার রয়েছে। সেটাকে কাজে লাগিয়ে নিজের বোলিং ছন্দ খুঁজে পেতে চাইবেন। নতুবা দ্রুতই দলনেতা থেকে তিনি পরিণত হবেন দলের বোঝায়।












