আঘার চেয়েও বাজে ছিলেন সাকিব!

ক্রিকেটে অধিনায়কের ভূমিকা অনেকটা বাতিঘরের মতো, নেতৃত্বের সাথে সাথে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে তিনি পুরো দলকে পথ দেখান, উজ্জীবিত করেন সতীর্থদের। কিন্তু সেই বাতিঘরই যখন আলো ছড়াতে ব্যর্থ হয়, তখন যেন খেই হারিয়ে ফেলে পুরো দল।

ক্রিকেটে অধিনায়কের ভূমিকা অনেকটা বাতিঘরের মতো, নেতৃত্বের সাথে সাথে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে তিনি পুরো দলকে পথ দেখান, উজ্জীবিত করেন সতীর্থদের। কিন্তু সেই বাতিঘরই যখন আলো ছড়াতে ব্যর্থ হয়, তখন যেন খেই হারিয়ে ফেলে পুরো দল। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আঘার বিবর্ণ ফর্ম যেন সেই রূঢ় বাস্তবতারই প্রতিচ্ছবি। তবে ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বমঞ্চে ব্যর্থতার এই তালিকার শীর্ষে আঘা নন, বরং ২০২২ সালের সাকিব আল হাসান ছিলেন আরও বেশি নিষ্প্রভ।

এশিয়া কাপের ব্যর্থতার পর আঘার টি-টোয়েন্টি দলে থাকা নিয়েই যখন সংশয় দানা বাঁধছিল, ঠিক তখনই শ্রীলঙ্কা সিরিজ ও ত্রিদেশীয় সিরিজে নতুন এক রূপে আবির্ভূত হন তিনি। তার সেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সমর্থকদের মনে আবারও আকাশচুম্বী প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছিল।

কিন্তু বিশ্বকাপে পা রাখতেই যেন নিভে গেল আঘার ব্যাটের আলো। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচ ব্যাট করতে নেমে মোটে মাত্র ৬০ রান সংগ্রহ করেছেন আঘা। গড় মাত্র দশ। তার এই ব্যর্থতার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তান দলের উপরও। সুপার এইট ব্যর্থতায় ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান।

তবে পরিসংখ্যানের নিরিখে বিশ্ব আসরে অধিনায়ক হিসেবে ব্যাট হাতে  সবচেয়ে ব্যর্থ সৈনিক তকমাটি হয়তো সাকিবের কাঁধেই বর্তাবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে এক আসরে সর্বনিম্ন ব্যাটিং গড়ের রেকর্ডটি তার দখলে।

২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সব মিলিয়ে মাত্র ৪৪ রান করেছিলেন সাকিব। ম্যাচ প্রতি নিয়েছেন মাত্র ৮.৮ রান করে। এমনকি স্ট্রাইকরেটটাও দুই অঙ্কের।

দলনেতার এহেন দশায় সেই আসরে বেগ পেতে হয়েছে বাংলাদেশকেও। নেদারল্যান্ডস আর জিম্বাবুয়ের সাথে কষ্টার্জিত জয় পেলেও ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে পরাজয় বরণ করতে হয় বাংলাদেশকে।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link