‘আমার মনে এখনও সেই ক্ষুধাটা আছে, নতুবা আমি এখনও ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতাম না।’ আইএল টি-টোয়েন্টিতে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষতকারে এমনটিই জানিয়েছেন সাকিব আল হাসান। নিজের প্রতি করা তার এই মন্তব্য যে ষোলআনা সত্য, সেই প্রমাণও তিনি দিয়ে যাচ্ছেন এমআই এমিরেটসের জার্সিতে আইএল টি-টোয়েন্টির মঞ্চে।
সময় ফুরিয়ে যাওয়ার স্লোগান ওঠে। আর সেই স্লোগানের স্রোত চিড়ে বারংবার দাঁড়িয়ে যান সাকিব আল হাসান। তার দলের জন্য তিনি প্রতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে ওঠেন। ড্রেসিং রুমে তাই তিনি হয়ে ওঠেন মধ্যমণি। এমআই এমিরেটসের হয়ে দুর্ধর্ষ পারফরমেন্সের স্বীকৃতি জানিয়েছে ফ্রাঞ্চাইজিটি।
সাকিব আল হাসান, ব্যাট হাতে হয়ত কার্যকারিতা হারিয়েছেন নিজের। কিন্তু বল হাতে এখনও তিনি সেই ধূর্ত ফয়সাল। ব্যাটারদের মস্তিষ্কের সাথে ছেলেখেলা করতে এখনও তিনি ওস্তাদ। আইএল টি-টোয়েন্টিতে নিজের সর্বশেষ ম্যাচে, সেই প্রজ্ঞার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন তিনি আরও একটিবার।

চার ওভারের বোলিং স্পেলের ১৫টি বলই ডট। দুবাই ক্যাপিটালসের ব্যাটারদের ব্যর্থতার খাদে ঠেলে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৯ বলে তার বিপক্ষে ১১টি রানই নিতে পেরেছিলেন ক্যাপিটালসের ব্যাটাররা। একটি উইকেট সাকিবের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে বটে। কোন প্রকার বাউন্ডারি তিনি হজম করেননি। স্রেফ ক্রিকেট খেলার তীব্র বাসনা থেকেই কি এমন দুর্ধর্ষ পারফরমেন্স মঞ্চস্থ হয়? মোটেও না।
‘আমাকে অনেক বেশি সময় নেট অনুশীলনে অতিবাহিত করতে হয়। আমি মনে করি যখন শরীর স্লথ হয়ে যায়, তখন বেশি অনুশীলন করা প্রয়োজন। বেশ কয়েক বছর আগে সাঙ্গাকারার সাথে কথা হচ্ছিল, তখন তিনি আমাকে এই বিষয়টি বলেছিলেন।’ অর্থাৎ ক্রিকেট খেলার অদম্য স্পৃহা এখনও উজ্জীবিত রেখেছে সাকিব আল হাসানকে। কেননা তিনি ক্রিকেট এখনও সেই ছেলেবেলার মত করেই ভালবাসেন।
সাকিব বলেন, ‘আমি যখন ১৯ বছরের ছিলাম, তখন যেমন ক্রিকেটকে ভালবাসতাম এখনও ক্রিকেটকে ঠিক সেভাবেই ভালবাসি। ক্রিকেট আমাকে আনন্দ দেয়। প্রতিবার আমি যখন মাঠে যাই আমার মনে হয় আমি বেঁচে আছি।’












