এক আসরে ২৬ উইকেট। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের(বিপিএল) ইতিহাসে এমন কীর্তির মালিক কেবল একজনই। তিনি চট্টগ্রাম রয়্যালসের শরিফুল ইসলাম। পুরো আসরে তাঁর আগুনে বোলিংয়ের তাপে পুড়েছে ব্যাটাররা।
বিপিএলের ফাইনাল মঞ্চে পা রাখার আগে শরিফুলের ঝুলিতে উইকেট সংখ্যা ছিল ২৪টি। শেষ ম্যাচে হাতছানি দিচ্ছিল তাসকিনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। গত মৌসুমেই যে তাসকিন আহমেদ ২৫ উইকেট নিয়ে জায়গা করে নেন বিপিএল ইতিহাসে।
শরিফুলের সামনে সেই রেকর্ড ভাঙার সুবর্ণ সুযোগ আসে। অবশ্য আসরজুড়ে যেভাবে বল করে গেছেন, তাতে মনে হচ্ছিল তাসকিনের রেকর্ডের স্থায়িত্ব কাল আর একটা বছরই।

সেটাই করলেন শরিফুল। কেন উইলিয়ামসনের কাছে ছক্কা হজমের ঠিক পরের বলেই স্লোয়ারে বোকা বানালেন তাঁকে। আর তাতেই তাসকিনের কাঁধে কাঁধ মিলালেন যেন। সমান সংখ্যক ২৫ উইকেট।
তবে আরও এক উইকেট যে তখনও দরকার। ইনিংসের শেষ বলেই নাজমুল হোসেন শান্তকে তুলে নিয়ে ষোলকলা পূর্ণ করলেন তিনি। ব্যক্তিগত খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেছে ২৬ সংখ্যাটা।
অবশ্য এটা তাঁর প্রাপ্যই ছিল। চট্টগ্রামের পেস ইউনিট যে একার কাঁধেই টেনে নিয়ে গেছেন তিনি। রান আটকে রাখা, উইকেট তোলা, ডেথ ওভারে দলের ভরসা, শরিফুল যেন ছিলেন একের ভেতর সব হয়ে। ভেরিয়েশন, সুইং, সবকিছুর ব্যবহার করেছেন সুনিপুণভাবে। ফলাফলটা তাই হাতে নাতে পেলেন। বিপিএলের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার শীর্ষে যে শরিফুলের নামটাই জ্বলজ্বল করছে।












