১১ ম্যাচে ২৪ উইকেট, ধারেকাছে নেই আর কেউ। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) শরিফুল ইসলাম যেন ব্যাটারদের সামনে হাজির হয়েছেন ভিন্ন রূপে, সাক্ষাৎ যমদূত হয়ে। বিশ্বকাপের আগে এমন দূরন্ত পারফরম্যান্স তাই প্রশান্তি বার্তা দিচ্ছে।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় নামটা শরিফুল। আসরের শুরু থেকে পেস ইউনিটকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ত্রাস হয়েছেন প্রতিপক্ষের সামনে। গতি, বাউন্স আর আগ্রাসন মিলিয়ে শরিফুল যেন অপ্রতিরোধ্য।
শুধু যে উইকেট তুলেছেন তা নয়, রান আটকাতেও দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। এখন পর্যন্ত ৪০.৫ ওভার বল করে দিয়েছেন মাত্র ২২৯ রান। ইকোনমি রেট ৫.৬০। বোলিং গড় ৯.৫৪, স্ট্রাইক রেট ১০.২০। আর নামের পাশে তো জ্বলজ্বল করছে ২৪ উইকেট। শুধু তাই নয়, ঝুলিতে আছে এক ফাইফারও।

প্রতিটা ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের ছাপ রেখে গেছেন শরিফুল। প্রতিপক্ষের সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছেন একা হাতে। চট্টগ্রামের শক্তির প্রতীক হয়েছেন। এমন রিদমে থাকা একজনকে বিশ্বকাপের মঞ্চে পাওয়াটা স্বস্তিরই বটে।
শরিফুল-মুস্তাফিজুর রহমানদের নিয়ে বাংলাদেশের পেস ইউনিট তাই যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণই। দীর্ঘদিন ধরেই সাফল্য এনে দিয়েছেন তারা। বিশ্বকাপের দলে তাইপরীক্ষিত নামই আছে, ফলে পেস ইউনিট নিয়ে দুশ্চিন্তা কম।
বিশ্বকাপের আগে বিপিএলটা তাই বাড়তি আত্মবিশ্বাস হয়েই এলো শরিফুলের জন্য। টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক যে তিনি। নিজের এই ঝলকটা বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখাতে পারবেন কি শরিফুল? অপেক্ষা এখন সেটা দেখার।












