ব্যাট হাতে শিবলী ফিরলেন চেনা রূপে!

প্রথম ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তাই একটা অতৃপ্ত বাসনা বোধহয় কুরে কুরে খাচ্ছিল আশিকুর রহমান শিবলীকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আর কোনো ভুল করলেন না। রানের ক্ষুধা মিটিয়ে খেললেন ৬০ রানের ম্যাচ জেতানো এক ইনিংস।

প্রথম ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তাই একটা অতৃপ্ত বাসনা বোধহয় কুরে কুরে খাচ্ছিল আশিকুর রহমান শিবলীকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আর কোনো ভুল করলেন না। রানের ক্ষুধা মিটিয়ে খেললেন ৬০ রানের ম্যাচ জেতানো এক ইনিংস।

দেশের ক্রিকেটপাড়ায় যতগুলো সম্ভাবনাময় নাম ঘোরাফেরা করে শিবলী তাঁদেরই একজন। ব্যাট হাতে যখন ক্রিজে নামেন তাঁর ভেতর একটা তাড়না দেখা যায়, রান করার তাড়না। আজও সেটাই দেখা গেল তাঁর ব্যাটে। ধৈর্য নিয়ে ব্যাট করলেন, ঢাকা বিভাগকে জয় উপহার দিলেন।

সিলেট বিভাগের দেওয়া ১৩৫ রানের টার্গেট মাথায় নিয়ে একটা নিখুঁত শুরু করেছিলেন শিবলী। তাঁকে সঙ্গ দিলেন রায়ান রাফসান। তবে মূল ভূমিকাটা নিলেন শিবলী।

কোনো তাড়াহুড়া করলেন না, সহজ রানের লক্ষ্যটা হিসাব করে নিলেন। এরপর স্রেফ স্বভাবসুলভ ব্যাটিং করলেন, স্ট্রাইক রোটেট করা থেকে বাউন্ডারি হাঁকানো সবকিছুতেই দেখালেন পারফেকশন।

শেষটাতে থামলেন ৩৯ বলে ৬০ রান করে। ছয় চার আর তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৩। যতক্ষণে সাজঘরের পথে ফিরছেন স্কোরবোর্ডে তখন ৯৩ রান। শেষটাতে রাফসানের ৪৬ আর আরিফুলের ২৬ রানে ভর করে তিন ওভার হাতে রেখেই নয় উইকেটের জয় পায় ঢাকা।

এর আগে অবশ্য সিলেট ব্যাট করতে নেমে শুরতেই ধাক্কা খায়। ১৫ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা দলের হাল ধরেন অমিত হাসান এবং আসাদুল্লাহ গালিব। দুজনের ৫২ রানে ভর করে স্কোরবোর্ডে ১৩৪ রান তোলে সিলেট। ঢাকার হয়ে বল হাতে আজও মোসাদ্দেক ১৯ রান দিয়ে শিকার করেন তিন উইকেট।

তবে শিবলীর দায়িত্বশীল ইনিংসের সামনে তা নিতান্তই কম। রানে ফেরার দিনে অনেকটা একপেশে করেই ম্যাচ জেতালেন তিনি। এখন দেখার আসরজুড়ে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন কিনা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link