শুভাম ও সাইতেজা, যুক্তরাষ্ট্রের দুই ত্রাতা

মুক্কামালা ও শুভামের ব্যাটে ভর দিয়েই ১৯৭ রানের বেশ বড়সড় টার্গেট ছুড়ে দিয়েছে তারা নেদারল্যান্ডসকে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি, ভারতের বিপক্ষে বুক চিতিয়ে লড়ার পর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২০০ স্ট্রাইকরেটের দুর্বার এক ইনিংস খেললেন শুভাম রাঞ্জানে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ যাত্রায় ধারাবাহিকভাবেই ব্যাট হাতে লড়ছেন শুভাম। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ যতটুকু করা যায়, তাই করছেন তিনি বাইশ গজে।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংসটি দলীয় সংগ্রহে দিয়েছে বাড়তি বুষ্ট। তিন চার ও দুই ছক্কার ইনিংসটিতে তিনি মুন্সিয়ানা দেখালেন আরও একটিবার। দলের প্রথম জয়ের ভীতটা যেন আরও শক্তপোক্ত হয়, সে প্রয়াশ করে গেছেন। ফিল্ডিংয়ের ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে রান যুক্ত করেছেন দলের স্কোরবোর্ডে।

পাকিস্তান কিংবা ভারত কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই তাকে বিচলিত হতে দেখা যায়নি। তিনি যে ছোট দলের প্রতিনিধি সেটাও মানতে চাননি। ভরসা রেখেছেন স্রেফ নিজের সামর্থ্যের উপর। সেই ভরসা এদিন রেখেছিলেন সাইতেজা মুকামালাও। দৃঢ়তার প্রতিমূর্তি হয়ে তিনি নেদারল্যান্ডসের বোলারদের সামলে গেছেন শক্তহাতে।

এগিয়ে যাচ্ছিলেন নিজের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির দিকে। ঠিক এক বছর আগেই তিনি প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। এদিন অবশ্য সেঞ্চুরির চাইতেও তার কাছে প্রয়োজনীয় মনে হয়েছে দলের সংগ্রহ ২০০ ছাড়ানো। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ফিফটির পর হয়ে ওঠেন আরও আগ্রাসী।

৭৯ রানের তাকে থামতে হয়েছে। ৫১ বলের সেই ইনিংসটিই মূলত যুক্তরাষ্ট্রের রান তোলার যাত্রাকে হতে দেয়নি দিকভ্রষ্ট। মুক্কামালা ও শুভামের ব্যাটে ভর দিয়েই ১৯৭ রানের বেশ বড়সড় টার্গেট ছুড়ে দিয়েছে তারা নেদারল্যান্ডসকে। ছোট দলের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের উপর প্রত্যাশার চাপ কম বটে, কিন্তু দলের সাফল্য অর্জনের জন্য তারা নিজেদের সামর্থ্যের শেষবিন্দু অবধি নিঙড়ে দিচ্ছেন।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link