১৩-৫! এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের জয়ের হিসাব-নিকাশ। বলুন তো এখানে কার পাল্লা ভারি? এশিয়া দ্বিতীয় সেরা দল শ্রীলঙ্কার পাল্লাটাই ভারি। শুধু ভারি না- বেশ খানিকটা ঝুকে আছে। ব্যবধানটা যে দ্বিগুণেরও বেশি। এই দুই দল চলুতি এশিয়া কাপে সুপার ফোরে উঠেছে বটে। তবে হেরে বসে আছে নিজেদের প্রথম ম্যাচ। তাদের মুখোমুখি লড়াইটা তাই দুই দলের জন্যেই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।
এখন পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাটের এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে মোট ১৮ ম্যাচে। যার মধ্যে ১৩টি ম্যাচেই জয়লাভ করেছে শ্রীলঙ্কা। এমনকি এই দুই দল এশিয়া কাপের ফাইনালেও লড়েছে একে অপরের বিপক্ষে। সেই চার ফাইনালের মধ্যে তিনটি জিতেছে লঙ্কানরা, আর একটি ম্যাচকে নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে পেরেছিল পাকিস্তান।
অতএব এশিয়া কাপের মঞ্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার দাপটটা স্পষ্ট। সুতরাং এবারের আসরেও এগিয়ে থাকছে শ্রীলঙ্কাই। এমনকি সাম্প্রতিক পারফরমেন্স ও দলের ভারসাম্যও শ্রীলঙ্কার পক্ষেই কথা বলছে। এবারের এশিয়া কাপে গ্রুপ বি চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার ফোর নিশ্চিত করেছিল শ্রীলঙ্কা।

তবে হতাশাজনক হলেও সত্য- তারা সুপার ফোরে তাদেরই গ্রুপ রানার্সআপ বাংলাদেশের কাছে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ হেরেছে। সে কারণে দলটি রয়েছে ব্যাকফুটে। তবে তাদের সম্ভাবনা একেবারেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়নি। অন্যদিকে পাকিস্তানের দশাও একই। এবারের এশিয়া কাপে ভারতের কাছে দুইবার পরাস্ত হয়েছে পাকিস্তান। গ্রুপ পর্বের মত সুপার ফোরের ম্যাচেও পাত্তা পায়নি দলটি।
অতএব শ্রীলঙ্কা যতটা না মানসিক অস্বস্তির মধ্যে রয়ছে, তার থেকেও করুণ অবস্থা পাকিস্তানের। চিরপ্রতিদ্বন্দিদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র লড়াই করতে পারেনি তারা। শক্ত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়েছে গোটা পাকিস্তান দল। তাদের বাউন্স ব্যাক করা প্রয়োজন। তাছাড়া টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে শ্রীলঙ্কাকে হারাতেই হবে। একই কথা প্রযোজ্য লঙ্কানদের ক্ষেত্রেও।
তবে অতীত ইতিহাস মোটেও পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলছে না। এমনকি এশিয়া কাপে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এই দুই দলের দেখা হয়েছে তিনবার। যার মধ্যে দু’টো ম্যাচই গিয়েছে শ্রীলঙ্কার দখলে। পাকিস্তান কি পারবে সমতায় ফিরতে? নাকি শ্রীলঙ্কার পাল্লা ভারি ছুঁয়ে ফেলবে মাটি।












