ঢাকাকে হারাল সিলেট, বৃথা গেল শামীমের চেষ্টা!

শামীম হোসেন পাটোয়ারী সিলেটের বুক কাপিয়ে দিয়েছিলেন। সবাই যখন সব আশা ছেড়ে দিয়েছিল, তিনি সেখান থেকেই শুরু করলেন। তবে শেষটাতে পরাজয়ের বিষাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো ঢাকা ক্যাপিটালসকে। সিলেট টাইটান্স ম্যাচটা জিতে নিল ছয় রানে।

শামীম হোসেন পাটোয়ারী সিলেটের বুক কাপিয়ে দিয়েছিলেন। সবাই যখন সব আশা ছেড়ে দিয়েছিল, তিনি সেখান থেকেই শুরু করলেন। তবে শেষটাতে পরাজয়ের বিষাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো ঢাকা ক্যাপিটালসকে। সিলেট টাইটান্স ম্যাচটা জিতে নিল ছয় রানে।

এদিন টসে জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ঢাকা। শুরু থেকেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল ম্যাচটা। রনি তালুকদার কিংবা তিনে নামা মেহেদি হাসান মিরাজ কেউ পারেননি দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে। অগত্যা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন পারভেজ হোসেন ইমন। সায়িম আইয়ুবের ধীরগতির ইনিংসের বিপরীত প্রান্তে দাঁড়িয়ে নিজের স্বভাবসুলভ ব্যাটিংটায় করতে থাকেন তিনি। তবে তাঁকেও থামতে হয় ৪৪ রানে।

আজমতউল্লাহ ওমরজাই ক্রিজে আসার আগেই ম্যাচ ছিল ঢাকার অনুকূলে। তবে এরপরই দৃশ্যপট নিজের করে নেন ওমরজাই। দুইবার জীবন পেয়ে তেতে ওঠেন তিনি, ঝড়ের বেগে ফিফটি হাঁকিয়ে দলকে এনে দেন ১৭৩ রানে বড় পুঁজি।

১৫০-এ বেধে রাখা যেত সিলেটকে। তাই তো ১৭৪ রানের লক্ষ্যটা মানসিকভাবেই পিছিয়ে দিয়েছিল ঢাকা। ১ রানেই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে, এরপর ৪৩ রান করতেই ফিরে যান আরও চার ব্যাটার। ম্যাচ কার্যত ওখানেই শেষ হয়ে যায়। সাব্বির রহমান ২৪ রানের ইনিংস খেলে একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালান। তিনি ফিরে গেলে আশার আলো নিভে যায় ঢাকার জন্য।

তবে সবকিছু শেষ হয়নি তখনও। ভগ্নস্তূপের মাঝ থেকে শামীম পাটোয়ারী রীতিমতো তান্ডব চালালেন। সঙ্গীহীন এক লড়াই চালান। হারতে বসা ম্যাচেও জয়ের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত আর পূর্ণতা পেল না। ৮১ রান করে অপরাজিত থাকলেও শামীমদের হারতে হলো ছয় রানের ব্যবধানে। শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াই সমাপ্তি হলো এর মাধ্যমেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link