একপ্রান্তে তাসকিন আহমেদ, অন্যপ্রান্তে সাইফ হাসান, দুই ভিন্ন জার্সি গায়ে লড়াই করলেন দু’জনে। তবে শেষটাতে জয়ের মাল্য গলায় মাঠ ছাড়লেন তাসকিন। শুধু তাই নয়, বল হাতেও দলের ভাগ্য নির্ধারণে রেখেছেন মহাগুরুত্বপূর্ণ অবদান।
আবুধাবি টি–টেন লিগের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি সাইফ হাসানের আসপিন স্ট্যালিয়নস এবং তাসকিনের নর্দান ওয়ারিয়ার্স। দেশের দুই তারকাকে একসাথে একই ম্যাচে দেখাটা বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য বাড়তি পাওয়া। সেই সাথে প্রত্যাশাও যে একটু বেশিই ছিল।৭
ব্যাট হাতে শুরুটা করল নর্দান। বল হাতে এক ওভার হাত ঘোরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সাইফ হাসান। তবে সেটা ভুলে যাওয়ার মতো মুহূর্ত হয়ে থাকল। ওই ওভার সাইফ রান দিলেন ১৭। শেষ পর্যন্ত তাসকিন আহমেদের দল স্কোরবোর্ডে তোলে ১১৪ রান।

দশ ওভারের খেলায় তাসকিনদের জন্য এই রান ডিফেন্ড করাটা একটু কষ্টসাধ্যই ছিল। ট্রেন্ট বোল্টের করা প্রথম ওভারেই আসপিন তুলে নেয় ২১ রান। দ্বিতীয় ওভারে নর্দান অধিনায়ক বল তুলে দেন তাসকিনের হাতে। তিনি আস্থার প্রতিদান দেন। ভয়ঙ্কর আন্দ্রে ফ্লেচারকে তুলে নেন নিজের করা তৃতীয় বলের মাথায়। ওই ওভার থেকে খরচা করেন মোটে নয় রান।
নবম ওভারের মাথায় আবারও ফেরানো হয় তাঁকে। ততক্ষণ পর্যন্ত চালকের আসনেই ছিল সাইফের দল। তবে এবার প্রথম বলেই তাসকিনের আঘাত, আভিষ্কা ফার্নান্দোকে দেখান সাজঘরের পথ। অবশ্য শেষ পর্যন্ত দুটো চার হজম করতে হয় ওই ওভারে। খরচা করেন ১২ রান।
সাইফ হাসানও ব্যাট হাতে শুরুটা করেছিলেন দারুণভাবে। তাবরেজ শামসিকে ছক্কা হাঁকিয়ে জানান দিয়েছিলেন নিজের উপস্থিতি। যদিও তাঁর সামনে সুযোগ ছিল নায়ক হওয়ার। ৪ বলে যখন ৬ রান দরকার দলের, তখনই আউট হয়ে বাড়িয়ে দলের বিপদ। তাতেই ১১ বলে ১৫ রানের ইনিংস খেলেও থাকতে হলো পরাজিতদের দলে।












