হুসেইন তালাত কি জিনিস, কেন তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে, দলে তাঁর ভূমিকা – এই প্রশ্নগুলোর উত্তর এখন সম্ভবত পাওয়া গেছে। তিনি বল হাতে ব্রেক থ্রু দেন, জরুরী সময় ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যান। ম্যাচ ফিনিশ করে পাকিস্তান দলকে সামনে এগিয়ে নেন।
ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচে তাঁকে কেন নেওয়া হয়েছে – সেসব নিয়ে প্রশ্ন ছিল। সেই প্রশ্ন ও যাবতীয় সমালোচনার জবাব তালাত দিলেন এক ম্যাচেই। ব্যাটে-বলে পারফরম করলেন। পাকিস্তান দলের জয়ের নায়ক বনে গেলেন।
বল হাতে দুই উইকেট নেওয়ার পর তাঁর ব্যাটেই সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম জয় পায় সালমান আলী আঘার দল। মাত্র ১৩৪ রান তাঁড়া করতে নেমে মাত্র ৮০ রানের মধ্যেই পাঁচটি উইকেট হারায় পাকিস্তান।

ভাল সূচনার পরও ৩৫ রানের মধ্যে পতন হয় পাঁচ উইকেটের। এরপরই শুরু হয় তালাতের প্রতিরোধ। সাথে যোগ দেন মোহাম্মদ নাওয়াজ। সপ্তম উইকেটে তাঁরা ৫৮ রানের জুটি গড়েন। সেই জুটিতে ৩০ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন তালাত।
চার বাউন্ডারির এই ইনিংস আর নাওয়াজের দারুণ ফিনিংশিংয়ে ভর করে দুই ওভার বাকি থাকতেই নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের জয়। ক’দিন হল বল হাতে নেওয়ার সুযোগ হচ্ছে না নাওয়াজের। সেটা এবার ব্যাট হাতে পুষিয়ে দিলেন। ২৪ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর এক বলের ব্যবধানে দুই ছক্কায় নিশ্চিত হয় পাকিস্তানের জয়।
এর আগে গল্প শুরু হয় তালাতের বোলিং থেকে। ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে গেলে দাসুন শানাকা কি করতে পারেন, সেটা কে না জানে। আগের ম্যাচে ৬৪ রান করা শানাকাকে তিনি ফেরান প্রথম বলেই। আগের বলেই অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কাকে হারিস রউফের ক্যাচে পরিণত করেন।

শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে যায় সেখানেই। আট ওভারের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা বোর্ডে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি। আর ব্যাটিংয়ে একই রকম বিপদে পাকিস্তানকে পড়তেই দেননি তালাত।










