১৪ বছরের এক কিশোর। আইপিএলের অভিষেক। ইমপ্যাক্ট সাবের চাপ। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের মত দলের সামনে প্রথম ওভার। সামনে অভিজ্ঞ শার্দুল ঠাকুর। বৈভব সুরিয়াভানশি প্রথম বলেই কি করে ছক্কা হাকিয়ে বসলেন! ভাবা যায়?
শার্দূল ঠাকুর বলটা করেছিলেন লেন্থ ডেলিভারি। অফ স্টাম্পের ওপর। সাধারণত এমন ডেলিভারিতে নবীন ব্যাটাররা গা বাঁচায়, কিংবা ব্যাকফুটে ঠেকিয়ে দেয়। কিন্তু সুরিয়াভানশি প্রথম বলেই গোটা দুনিয়াকে জানিয়ে দিলেন, দ্য ‘বস বেবি’ চলে এসেছেন ক্রিকেটের ময়দানে।

একেবারে এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে সোজা গ্যালারিতে। ব্যাটে যেন ১৪ বছর নয়, ১৪০ বছরের ইতিহাস কথা বলছিলো। থমকে গেল আইপিএল, উত্তাল গ্যালারি! এ যেন নেক্সট জেনারেশন ব্যাটার। ‘এ কি দেখলাম’ – এমন একটা অবিশ্বাস সবার চোখে মুখে।
এ যেন অনবদ্য এক মহাকাব্যের প্রথম লাইন। যে লাইনের পুরোটা জুড়েই বিস্ময়। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে বৈভবের গল্পটা এখানেই শেষ হয়নি। যতটুকু সময় তিনি ছিলেন, মুগ্ধ করেছেন। কিশোর-সুলভ দুরন্তপনা দেখিয়েছেন। অভিষেক ম্যাচেই এতটা অবলীলায় খেলা যায়, তাও আবার এতটুকু বয়সেই!











