পাকিস্তানের টপ অর্ডারে তাঁর মত মারকুটে ব্যাটার খুব বেশি নেই। সেজন্য ফখর জামানকে দিয়েও টি-টোয়েন্টিতে ওপেন করিয়েছিল পাকিস্তান। তবে, সেই যাত্রায় সুবিধা করতে পারেননি তিনি। ২০২৪ বিশ্বকাপের পর আর তাঁকে টি-টোয়েন্টির পরিকল্পনায় আনেনি পাকিস্তান দল।
তবে, এবার পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) সেই দুর্দিন কাটিয়ে তুলতে মরিয়া এই ব্যাটার। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে ব্যাট করতে নেমে সকল সমালোচনার জবাব দিলেন। ৩৮ বলে করলেন ৬৭ রান। ১৭২ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসে শটের পসড়া সাজিয়ে বসেন। ইনিংস সাজান তিনটি ছক্কা আর সাতটি চার দিয়ে।

পাওয়ার প্লেতে ফখরের দাঁড়িয়ে থাকা মানেই বোলারদের দু:স্বপ্ন। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে তাঁর সেঞ্চুরির স্মৃতিই একসময় তাঁকে নিয়ে গড়েছিল ভরসার মসনদ। কিন্তু ক্রিকেট যেমন দেয়, ঠিক তেমনি ছিনিয়েও নেয়। টি-টোয়েন্টিতে ফখরের পতনটা হয়েছে যেন নি:শব্দে।
ওয়ানডের মারকুটে ব্যাটার টি-টোয়েন্টিতে তেমন সরব ছিলেন না শেষ তিন-চার বছরে। মাঝে ২০২৪ সালটা স্ট্রাইক রেটের বিবেচনায় ভাল কাটলেও পাকিস্তান আর তাঁকে আমলে নেয়নি।বিশ্বকাপের পর ছেঁটে ফেলা হয় পাকিস্তানের স্কোয়াড থেকে। মনে হচ্ছিল, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফখরের অধ্যায় বুঝি শেষ।

তবে, ফখর ফিরেছেন। তিনি ফিরে এসেছেন নিজের হারানো শৌর্য নিয়ে। এবার এই প্রত্যাবর্তন ধরে রাখার পালা। পুরনো সুর, পুরনো ছন্দ ধরে রেখে নিজেকে আত্মবিশ্বাসে ফেরানোর মিশন।










