ক্রিকেটের আড়ালে অন্ধকার জগৎ!

বাংলাদেশ ক্রিকেট জুড়ে কোথাও আলো নেই, সবটাই অন্ধকারে ঢাকা। তাই তো অনেক কিছুই দেখা যায় না, অনেকে দেখেও এড়িয়ে যান সবকিছু। তাই তো জাহানারা আলমরা, প্রিয় ক্রিকেট ছেড়ে নির্বাসনে যান, চোখের জলের ভার সইতে না পেরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট জুড়ে কোথাও আলো নেই, সবটাই অন্ধকারে ঢাকা। তাই তো অনেক কিছুই দেখা যায় না, অনেকে দেখেও এড়িয়ে যান সবকিছু। তাই তো জাহানারা আলমরা, প্রিয় ক্রিকেট ছেড়ে নির্বাসনে যান, চোখের জলের ভার সইতে না পেরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদেন।

সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রিকেটের অন্ধকার গলির কালো অধ্যায়টা তুলে এনেছেন জাহানারা। আর পাঁচটা সাধারণ ঘটনা নয়, অভিযোগ তুলেছেন যৌন হয়রানির মতো ঘৃণ্য অপরাধের। যার কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক এবং টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু।

 তৎকালীন নারী বিভাগের ইনচার্জ প্রয়াত তৌহিদ রহমানের থেকে পাওয়া অনৈতিক প্রস্তাবের কথাও সামনে এনেছেন। এই ঘটনা এতদিন নিজের মাঝেই মাটিচাপা দিয়ে রাখেননি জাহানারা। আগেও দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনের কাছেও। তবে কোনো লাভ হয়নি।

বরং আরও নানা ভাবে অপমান-অপদস্থ হয়েছেন তিনি। সিস্টেমের দেখানো বুড়ো আঙুলের বিপরীতে নিজেকে তুচ্ছ মনে হয়েছে, যাদের লজ্জা পাওয়ার কথা তারা চলেছেন বুক ফুলিয়ে গর্বের সাথে। আর বিষক্রিয়া টের পেয়েছেন কেবল জাহানারা নিজে।

তবে সহ্যের একটা সীমা থাকে, পরিধি থাকে। যা পার হয়ে গেলে চুপসে যেতে হয়, বিকল্প রাস্তা খুঁজে নিতে হয়। তাই তো অবহেলার শিকার হয়ে নিজেকে সবার অগোচরে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। ক্রিকেট থেকে নির্বাসনের বিহাইন্ড দ্য সিনের গল্পে তো এটাই ছিল।

আবারও সবকিছু সবার সামনে আনার চেষ্টা করলেন, বিসিবি নয় এবার দ্বারস্থ হলেন স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার কাছে। তবে এরপরও কি বিসিবি চুপ থাকবে? অন্ধকারের অতল গহ্বর থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করবে কি এমন অযাচিত ঘটনার সত্যতা? এই সৎ সাহসটা কি দেখাবে তারা? প্রশ্নগুলোর উত্তরটা, কেবল সময়েরই জানা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link